ভার্টিকাল রান

Vertical Runজোসেফ আর গারবারের ভার্টিকাল রান  বইটি পড়ে শেষ করলাম মাত্র। বইটি যে কিভাবে শেষ হলো বলতে পারছি না। টান টান উত্তেজনায় পাতার পর পাতা পড়ে গেছি শুধু। কাহিনীটাকে কি বলা যায়, এ্যাকশন? থ্রিলার? নাকি ক্রাইম? সবকিছু আছে উপন্যাসটিতে। একবার ভাবুনতো হঠাৎ যদি পরিচিত পৃথিবীটা পাল্টে যায় আপনার, খুব কাছের মানুষগুলো যদি খুন করতে চায় আপনাকে, কেমন লাগবে আপনার? এমনই ঘটেছে বইটির কাহিনীতে। প্রায় দের মাস কোন বই পড়িনি কাজের চাপের কারনে। দের মাস পর হাতে নেওয়া বইটি এতটা দুর্দান্ত, এতটা রহস্যময় হবে ভাবতেও পারিনি। শুরু থেকে কাহিনীটিকে আমার অসম্ভব গতিময় মনে হয়েছে। এধরনের বই অনেক দিন পর পড়লাম। এক কথায় উপন্যাসটি এ্যাকশনের একটি মজার কেন্ডি। যে কেন্ডি খেলে পাঠকরা অসাধারন মজা পাবে, কোন ভুল নেই। মাত্র একটি দিনের কাহিনী নিয়ে এমন উপন্যাস আর আছে কিনা মনে করতে পারছি না। অবসর প্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ডেভ এলিয়ট এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট পজিশনে কাজ করে একটি মাল্টিন্যাশনাল কম্পানিতে। সকাল হওয়ার সাথে সাথে নিঃতেজ নিউইয়র্ক সিটি জেগে উঠছে ধীরে ধীরে। প্রতিদিনের মত আজও ডেভ এলিয়ট সকাল সকাল তার অফিসে পৌছে গেলো। পঞ্চাশ তলা অফিসের ৪৫ তলায় সে বসে। অফিস টাইম এখনো শুরু হয়নি, ঘড়িতে বাজে মাত্র সকাল ৭:২০। ডেভ এলিয়ট কল্পনাও করতে পারবে না আজ তার কেমন দিন! কি নেমে আসছে তার উপর আগামী কয়েক ঘন্টায়। কম্পানির প্রেসিডেন্টকে দিয়ে শুরু হয় বহুতল ভবনের ভেতরে ইঁদুর বেড়াল অসামঞ্জস্য লড়াইয়ের শুরু। কেন তাকে মেরে ফেলার জন্য এমন পাগল হয়ে উঠছে সবাই বুঝতেই পারছে না ডেভ। কি তার অপরাধ? এটা না-জেনেই কি তাকে এই পৃথিবী ছাড়তে হবে? প্রিয়তমাস্ত্রীকে আর কখনও বলা হবে না ভালবাসি কথাটি, নিজের জীবনের চেয়েও প্রিয় সন্তানকে আর বুঝি বুকে জড়িয়ে ধরা হবে না। কারন তারাও যে খুন করতে চায় ডেভকে। বাসা থেকে অফিসে আসার সময় পৃথিবীটা ছিল ভালবাসায় পরিপূর্ন মাত্র কয়েক ঘন্টায় পাল্টে গেল সব কিছু। কেন সবাই এমন আচরন করছে ডেভের সাথে? জানতে হলে পড়ে ফেলুন ভার্টিকাল রান বইটি।

নেক্সাস(জেফরি-বাস্টার্ড ৩)

nexusবইটি শুরু হয় খুবই সাধারণ ভাবে। অন্তত সিরিজের প্রথম দুইটি বইয়ের তুলনায়। জেফরি-বাস্টার্ড সিরিজের তৃতীয় বই এটি। সিরিজের প্রথম দুইটি বই নেমেসিস আর কন্ট্রাক্ট। এর মধ্যে কন্ট্রাক্ট তো শুরু হয়েছিল বেশ উরাধুরা, তারছিঁড়া স্টাইলে। সে তুলনায় নেক্সাস বেশ সাধারণ ঘটনার মধ্যে দিয়েই শুরু হয়। কিন্তু সে সাধারণ রূপের মধ্য দিয়েই সামনের অসাধারণ ঘটনার সুত্রপাত হয়েছে তা কিছুদুর গেলেই বোঝা যায়। কয়েক পৃষ্ঠা পড়ার পরেই কাহিনী যে দিকে আগাতে শুরু করে তা পাঠককে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে বাধ্য।

কাহিনী সংক্ষেপ-
হাসান। নিরীহ, গোবেচারা, কারো সাতেও নেই পাঁচেও নেই টাইপের লোক। আর তাকেই কি না খুন করা হল এমন নিষ্ঠুর ভাবে। আর সে খুন হয়ে ঝামেলায় ফেলে গেল জেফরি বেগ আর জামানকে! তদন্তে নেমে তারা তো কূলই পাচ্ছে না। নিতান্ত এক সাধারণ লোক হাসান। রাজধানীর এক অভিজাত স্কুলের জুনিয়র ক্লার্ক ছিল। না ছিল তার কোন শত্রু, না ছিল বন্ধু। এরকম লোককে খুন করবেই বা কে! তাদের ঝামেলা এখানে থামলে না হয় কথা ছিল। এর মধ্যে যোগ দিল এক সন্ত্রাসীচক্র। তারপর—

জেফরি বেগ ধরার চেষ্টা করছে এক লোককে। কিন্তু পারছে না। সে জেফরির চেয়ে কোন অংশে কম নয়। না বাস্টার্ড এর কথা বলছি না। আরেকজনের কথা বলছি। জেফরিকে এই লোক বারবার বাস্টার্ডকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। বাস্টার্ড এর পর এই আরেকজন যে তাকে নাকানিচুবানি খাওয়াচ্ছে। জেফরি মাঝে মাঝে এই লোককে বাস্টার্ড এর চেয়েও এগিয়ে রাখছে। বলছি বইটির অন্যতম চরিত্র মিলন এর কথা। চরিত্রটিকে মাঝে মাঝে কিছুটা ফিল্মি আর বিরক্তিকর লাগলেও সব মিলিয়ে বেশ ভালই লেগেছে বলতে হবে।

জামান।এই সিরিজের অন্যতম এক চরিত্র।সিরিজের প্রথম থেকেই তার গুরুত্বপূর্ণ উপস্থিতি।জেফরির সর্বক্ষণের সাথী সে।বেশ যোগ্যতাসম্পন্ন এই ছেলেটি জেফরিকে বেশ শ্রদ্ধা করে,ভালবাসে।হয়ত জেফরির চরিত্রের বিশালতার কারনে এই সিরিজে সে নিজেকে ততটা মেলে ধরতে পারেনি।এরপরেও এই সিরিজের আমার অন্যতম একজন প্রিয় চরিত্র সে।এই সিরিজে আমার প্রিয় চরিত্রের তালিকা করলে জেফরি,বাস্টার্ড এর পরেই সে থাকবে।

এই বইটি তার সব বিভাগেই বেশ ভাল নাম্বারই পাবে।বইটির মধ্যে যে রহস্য বর্ণিত হয়েছে তা প্রায় শেষ পর্যন্ত লেখক ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।কাহিনি বেশ কয়েকবার দিক,রঙ,গতি বদলেছে।কিছু জায়গায় কিছু অসঙ্গতি কিছু প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে।যেমন একটি প্রশ্ন হল ১৫ বছরের একজন ছেলের নামে কি করে একটি সিমের রেজিস্ট্রেশন হয়!?!এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে খামতি থাকলেও সব মিলিয়ে বেশ ভালই বলতে হবে।তবে যদি বইটির সত্যিকারের খামতির কথা বলতে হয় তাহলে সেটা হবে(আমার একান্ত নিজস্ব ভাবনা।অন্যদের সাথে নাও মিলতে পারে) বাস্টার্ড।না সে কিছু উল্টাপাল্টা করেনি।করবে কি করে!তাকে খুঁজে পাওয়াই তো দুস্কর হয়ে পড়েছিল।সেই বইয়ের প্রথম পৃষ্ঠা থেকে তাকে খুঁজতে শুরু করেছিলাম।কিন্তু সে গেল কই!!বইয়ের মাঝামাঝি একবার সে এল,কিন্তু মুহূর্তেই মাঝেই আবার হারিয়ে গেল।না একেবারেই আশাহত করেনি সে।বইয়ের শেষের অনেক আগেই সে দৃশ্যপটে চলে আসে।তারপর তার আগের অনুপস্থিতি অনেকটাই পুষিয়ে দিয়েছে।যদিও সেটুকুতে কি আর আমার মন ভরে!

মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এর মৌলিক থৃলার।আমার মত যে কোন পাঠকের জন্য এই একটি কথাই যথেষ্ট বইটি পড়ার জন্য।তার উপর বইটি হয় যদি আবার জেফরি-বাস্টার্ড সিরিজের বই।এই সিরিজের প্রথম দুইটি বই পড়া হয়েছিল কয়েক মাস আগে।আর পড়ে অসম্ভব ভাল লেগেছিল।তাই বইটি পড়ার আগে অনেক প্রত্যাশা ছিল।সে প্রতাশা অনেকাংশে পূরণ হলেও আমি আগের দুইটি বই এর চেয়ে নেক্সাসকে কিছুটা পিছিয়ে রাখব।তার মানে এই নয় বইটি আমার ভাল লাগেনি।বইটি আমার প্রচণ্ড ভাল লেগেছে।

জেফরি বেগ সিরিজে এর পরে আরও একটি বই আছে।কনফেশন।কে জানে আমার জন্য সে কি নিয়ে অপেক্ষা করছে।খুব শীঘ্রই বইটি পড়া শুরু করব।এছাড়াও এই সিরিজের আরও বেশ কয়েকটি বই বের হবার কথা রয়েছে।অপেক্ষায় রইলাম সেগুলোর।নাজিম ভাইয়ের প্রতি অনুরোধ রইল পাঠকদের খুব বেশি অপেক্ষায় না রেখে সিরিজের পরবর্তী বই দ্রুত বের করার।আশা করি তিনি এই অনুরোধ রাখবেন।

এক নজরে
বইয়ের নাম-নেক্সাস
সিরিজ এর নাম-জেফরি-বাস্টার্ড
লেখক-মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
প্রকাশক-বাতিঘর প্রকাশনী
প্রথম প্রকাশ-ফেব্রুয়ারি বইমেলা,২০১২
প্রচ্ছদ-সিরাজুল ইসলাম নিউটন
গায়ের মূল্য-৩০০ টাকা
আমার রেটিং-৪.২৫/৫

এভেন্জার-ফ্রেডরিক ফরসাইথ

Avengerথ্রিলার কাহিনী যারা পড়তে পছন্দ করে এবং ভালবাসে, তাদের বেশী ভাগের সাথে ফ্রেডরিক ফরসাইথের লেখার পরিচয় হয়ে গেছে বলে আমার মনে হয়। এখনকার থ্রিলার লেখকদের মধ্যে ফ্রেডরিক অন্যতম। তার লেখা মানেই হলো অসাধারন কোন থ্রিলার কাহিনীর গুপ্ত-ভান্ডার। থ্রিলার কাহিনীতেও যে এত ধরনের অথেনটিক ডাটা আসতে পারে তা আগে বুঝতে পারিনি। তার লেখা প্রতিটি বই পাঠককে নিয়ে যাবে অন্য রকম এক থ্রিলিং জগৎতে। দ্য ডে অফ দ্য জ্যাকেল যে পাঠকরা পড়েছেন তারা আবশ্যই ফ্রেডরিক ফরসাইথ লেখার ক্ষমতা সম্পর্কে জেনে গেছে। এভেন্জার উপন্যাস কাহিনীটি সত্যি আমাকে অনেক মজা দিয়েছে। অনেক চালাকি দেখিয়েছেন লেখক সাহেব। উপন্যাসটিতে যে সমস্ত ডাটা এসেছ তা সবই সত্য। ত্রানকর্মি হিসাবে বসনিয়ায় কাজ করতে গিয়ে রিকি নামের ১৮ বছরর তরতাজা একজন আমেরিকান তরুন লাপাত্তা হয়ে যাওয়া এবং তাকে উদ্ধার করা নিয়ে মূল কাহিনী। রিকির হাড়িয়ে যাওয়া নিয়ে কেউ কিছু জানে না, জানলেও বলার মত সাহস নেই। রিকির নানা পাগল হয়ে উঠে তাকে উদ্ধারের জন্য। কিন্তু আমেরিকার কোন সংস্থাই তাকে আশার আলো দেখাতে পারে না। এক সময় তিনি জানতে পারেন রিকি বেঁচে নেই। কিন্তু খুনি বেঁচে আছে। খুনিকে জীবন্ত ধরে তার কাছে আনার জন্য একজনকে ভাড়া করেন তিনি। সেই একজনটি কে? এবং এই রহস্যময় মানুষটি কিভাবে খুনির কাছে পৌছায় জানতে হলে পড়তে হবে এভেন্জার বইটি। এরকম বই একমাত্র ফ্রেডরিক ফরসাইথকে দিয়েই লেখা সম্ভব।

কত্থক নৃত্য

kathak

কত্থক (হিন্দিकथकউর্দুکتھکভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্যের আট ধরনের মধ্যে একটি। এই নৃত্যের ফর্ম প্রাচীন উত্তর ভারতের যাযাবর সম্প্রদায় থেকে উদ্ভুত। ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্যের প্রধান চারটি ধারার বাকি তিনটি হচ্ছে ভরতনট্যমকথাকলিমণিপুরী। কত্থক শাস্ত্রীয় নৃত্যের একটি অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য ধারা। সব রকমের শাস্ত্রীয় নৃত্যের মধ্যে কত্থক সবচাইতে জনপ্রিয়। প্রাচীনকালে বিভিন্ন দেবদেবীর মহাত্ন বর্ণনায় কয়েকটি সম্প্রদায় ছিলো যারা নৃত্য ও গীত দিয়ে দেবদেবীর মহাত্নাবলী পরিবেশন করতেন। এসব সম্প্রদায়গুলো কথক, গ্রন্থিক, পাঠক ইত্যাদি ইত্যাদি। সবকটির মধ্যে কথক একটি বিশেষ স্থান আজও অধিকার করে রয়েছে। কথক নৃত্যে প্রধানত রাধা কৃষ্ণের লীলা কাহিনীই রূপায়িত হত। দীর্ঘকাল ধরে ধর্মীয় উৎসব ও মন্দির কেন্দ্রিক পরিবেশনা হওয়ায় কথক নৃত্যের কোনো সুসংহত রুপ গড়ে ওঠেনি।

মোঘল আমলে দরবারী সংগীত ও নৃত্যের যুগ সুচিত হলেই কথক নৃত্যের একটি সুসংহত রুপ গড়ে ওঠে। কথক নৃত্যের সবচাইতে বেশী বিকাশ ঘটে উনবিংশ শতাব্দীতে লোখনৌ এর আসাফুদ্দৌলা ও ওয়াজীদ আলী শাহ এর দরবারকে কেন্দ্র করে। কথকের দ্বিতীয় ধারার বিকাশ ঘটে জয়পুর রাজ দরবারে। পরবর্তীতে বারাণসীতেও কথক নৃত্যের বিস্তার ঘটে। নৃত্যই কথকের প্রাণ তবে সহযোগী সঙ্গীতও এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভুমিকা পালন করে। কথক নৃত্যে মোট বারোটি পর্যায়। তবলা বা পাখোয়াজের লহরায় তাল নির্ভর নৃত্য পদ্ধতিটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বারোটি পর্যায়ে রয়েছে গনেশ বন্দনা, আমদ, থাট, নটবরী, পরমেলু, পরণ, ক্রমলয়, কবিতা, তোড়া ও টুকরা, সংগীত ও প্রাধান। প্রাম্ভিক প্রযায়ে থাকে গনেশ বন্দনা ও আমদ। নটবরী অংশে তাল সহযোগে নৃত্য পরিবেশিত হয়। পরমেলু অংশে বাদ্যধ্বনীর সাথে নৃত্য পরিবেশিত হয়।পরণ অংশে বাদক বোল উচ্চারণ করে ও নৃত্যশিলপী পায়ের তালে তার জবাব দেয়। এরপর তবলা বা পাখোয়াজের সাথে নৃত্য পরিবেশিত হয়। ক্রমানবয়ে বিলম্বিত ও পরে দ্রুত তালের সাথে নৃত্য পরিবেশিত হয়।করতালি দিয়ে তাল নির্দেশ করাকে বলে প্রাধান। কতক নৃত্যের প্রধান পোষাক লম্বা গোড়ালী পর্যন্ত পেশোয়াজ নামক এক ধরণের সিল্কের জামা ও চুড়িদার পাজামা। উজ্জল প্রসাধন ও অলংকার ব্যাবহৃত হয়।

For English Speaking people

Kathak Dance

The word Kathak has been derived from the word Katha which means a story. Kathakars or story-tellers, are people who narrate stories largely based on episodes from the epics, myths and legends. It probably started as an oral tradition. Mime and gestures were perhaps added later on to make the recitation more effective. Thus evolved a simple form of expressional dance, providing the origins of what later developed into Kathak as we see it today.

The Vaishnavite cult which swept North India in the 15th century. and the resultant bhakti movement contributed to a whole new range of lyrics and musical forms. The Radha-Krishna theme proved immensely popular alongwith the works of Mirabai, Surdas, Nandadas and Krishnadas.

The emergence of Raslila , mainly in the Braj region (Mathura in Western U.P.) was an important development. It combined in itself music, dance and the narrative. Dance in Raslila, however, was mainly an extension of the basic mime and gestures of the Kathakars or story-tellers which blended easily with the existing traditional dance.

With the coming of the Mughals, this dance form received a new impetus. A transition from the temple courtyard to the palace durbar took place which necessitated changes in presentation. In both Hindu and Muslim courts, Kathak became highly stylised and came to be regarded as a sophisticated form of entertainment. Under the Muslims there was a greater stress on nritya and bhavagiving the dance graceful, expressive and sensuous dimensions.

The nineteenth century saw the golden age of Kathak under the patronage of Wajid Ali Shah, the last Nawab of Oudh. He established the Lucknow gharana with its strong accent on bhava, the expression of moods and emotions. The Jaipur gharana known for its layakari or rhythmic virtuosity and the Benaras gharana are other prominent schools of Kathak dance. The technique of movement in Kathak is unique to it.

The weight of the body is equally distributed along the horizontal and vertical axis. The full foot contact is of prime importance where only the toe or the ball of the foot are used, their function is limited. There are no deflections and no use of sharp bends or curves of the upper or lower part of the body. Torso movements emerge from the change of the shoulder line rather than through the manipulations of the backbone or upper chest and lower waist muscles. In the basic stance, the dancer stands straight, holds one hand at a level higher than the head and the other is extended out on the level of the shoulder.

The technique is built by the use of an intricate system of foot-work. Pure dance (nritta) is all important where complex rhythmic patterns are created through the use of the flat feet and the control of sound of the ankle bells worn by the dancer. As in Bharatnatyam, Odissi and Manipuri, Kathak also builds its pure dance sequences by combining units of movement. The cadences are called differently by the names tukratora, and parana, all indicative of the nature of rhythmic patterns used and the percussion instrument accompanying the dance. The dancer commences with a sequence called That where soft gliding movements of the neck, eyebrows and the wrists, are introduced. This is followed by a conventional formal entry known as the Amad (entry) and theSalami (salutation).

Then follow the various combinations of rhythmic passages all punctuated with and culminating in a number of pirouettes. The pirouettes are the most characteristic feature of the dance style in nritta portions. Recitation of the rhythmic syllables is common; the dancer often pauses to recite these to a specified metrical cycle followed by execution through movement. The nritta portion of Kathak is performed to the nagma. Both the drummer (here the drum is either a pakhawaj, a type of mridangam, or a pair of tabla) and the dancer weave endless combinations on a repetitive melodic line. The metrical cycle (tala) of 16, 10, 14 beats provides the foundation on which the whole edifice of dance is built.

In the mime portions (nritya or abhinaya), words are not used in simple numbers called the gata, which is performed in a lyrical manner to gentle rhythm. These are short narrative pieces which portray a brief episode from Krishna’s life. A poetic line set to music is interpreted with gestures in other numbers, such as the tumri, bhajan, dadra – all lyrical musical compositions.

In these sections, there is a word to word or line to line synchronisation in the same fashion as in Bharatnatyam or Odissi. Both in nritta (pure dance) and the abhinaya (mime) there is immense scope for improvisation of presenting variations on a theme. The interpretative and the abstract dance techniques are interwoven into each other, and the dancer’s greatness lies in his capacity for improvisation on the melodic and metric line on the one hand and the poetic line on the other.

Today, Kathak has emerged as a distinct dance form. Being the only classical dance of India having links with Muslim culture, it represents a unique synthesis of Hindu and Muslim genius in art. Further, Kathak is the only form of classical dance wedded to Hindustani or the North Indian music. Both of them have had a parallel growth, each feeding and sustaining the other.

লাইক ফাদার, লাইক সন

Like Father, Like Sonস্বনামধন্য জাপানী পরিচালক হিরোকাজু কোরিয়াদার আরেকটি চমত্কার আবেগপ্রবণ মুভি লাইক ফাদার, লাইক সন। আরকটি বলছি কারন নোবডি ন্যোস, স্টিল ওয়াকিং সহ বিভিন্ন সুখ্যাতি পাওয়া সিনেমার পরিচালক তিনি। বিষয়-বস্তুর অভিনবত্বর জন্য সব ধরনের দর্শক মুভিগুলো পছন্দ করেছেন। তার পরিচালিত সিনেমাগুলোতে তিনি কিছু মেসেজ দেন দর্শকদেরকে। পিতা-পুত্রের সম্পর্ক কেমন হয় আমরা সবাই জানি এবং প্রতিনিয়ত দেখছি আশেপাশে। কিন্তু এই সিনেমাটিতে দেখানো হয়েছে পিতা-পুত্রের সম্পর্কের এক অন্য মাত্রা এবং পিতা-পুত্রের সম্পর্কের এমন এক স্তর ফুটে উঠেছে, যা দর্শকদের আবেগপ্রবণ করে তুলবে। পারিবারিক সিনেমার একটি মাস্টারপিস বলা যায় লাইক ফাদার, লাইক সন ছবিটিকে। জন্মের সময় হাসপাতাল কর্তিপক্ষের ভুলের কারণে একটি পরিবারের বাচ্চা আরেক পরিবারের কাছে চলে যায়। মানে চেন্জ হয়ে যায়। অনেক বছর পরে সত্য কথাটি জানতে পারে একজন বাবা। ছবিটির তখনের দৃশ্যটি আমি কখনো ভুলতে পারবো না। একদিকে রক্তের টান আর অন্যদিকে নিজ হাতে গড়ে তোলা স্বপ্ন  আর আদর্শ। দুটি পরিবারকেই কঠিন এই সিদ্ধান্তের মধ্যে পরতে হয়। পরিবার দুটির স্বভাবিক জীবনে ঘটে ছন্দ পতন। এই অতি দোটানার মধ্য দিয়েই এগুতে থাকে গল্প। চরিত্রগুলো দারুণ ভাবে উপস্থাপন করেছেন পরিচালক। সত্যিই অসাধারণ এক ছবি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেখার মত একটি ছবি। বাবাকে নিয়ে এরকম ভিন্নধর্মি ছবি আমি আর দেখিনি। আমাকে মুভিটি আবেগে কাঁদিয়েছে বারবার। সন্তানের প্রতি বাবার বাধ ভাঙ্গা ভালবাসা দেখে যে কারো চোখের কোনায় পানি আসতে বাধ্য হবে।     

ড্যানি নামের ছেলেটা এবং তার মজার বাবা

ড্যানি নামের ছেলেটা এবং তার মজার বাবাড্যানি নামের ছেলেটা এবং তার মজার বাবা রোয়াল ডালের এই বইটি পড়ে অসম্ভব আবেগ আপ্লুত হয়েছি। ছোটদেরকে নিয়ে যতগুলো উপন্যাস এখন পর্যন্ত লেখা হয়েছে তার মধ্যে এই বইটিকে প্রথম ধরা হয়। পৃথিবীতে কিছু সম্পর্কে বলা হয় স্বর্গিয় সম্পর্ক। যেমন মা-ছেলের সম্পর্ক, বাবা-মেয়ের সম্পর্ক ইত্যাদি। আমার মনে হয় বাবা আর ছেলের সম্পর্ক যদি বন্ধুর মত হয় তাহলে সেটার মত অসাধারন আর কিছু হতে পারে না। যে ছেলেগুলো একদম ছোট থাকতে মাকে হাড়ায় এবং বাবা যদি দ্বিতিয় বিয়ে না করে তাহলে সেই সব ছেলেগুলো হয় বাবার একদম কাছের মানুষ, বন্ধুর মত। বাবা আর ছেলের কাহিনী নিয়ে এত সুন্দর উপন্যাস আর পাওয়া যাবে না। ছোট্ট ড্যানির সব কিছু বাবাকে ঘিরে। বাবাই তার সব। মাকে হাড়িয়েছে বলতে গেলে জন্মের সময়ই। তাই বাবার সাথেই সব কিছু শেয়ার করে। ড্যানির কাছে মনে হয় তার বাবার মত জ্ঞানী এবং বুদ্ধিমান মানুষ আর নেই। ছোটবেলায় সব বাচ্চারা তাদের বাবাকে সুপারম্যান অথবা খুব বড় মেজিশিয়ান ভাবে। ড্যানির কাছে তার বাবাও সেরকমের একজন। সে থাকে বাবার সাথে পুরনো একটি ক্যারাভানে। নয় বছর বয়সে সে একটি সত্য জেনে যায় তার বাবা সম্পর্কে। তার পরের কাহিনী হলো বাবা আর ছেলের এ্যাডভেঞ্চারের কাহিনী। এক দুষ্ট জমিদারকে জব্দ করার ভয়ানক ফন্দি।

আমারও একটা প্রেমকাহিনি আছে

আমারও একটা প্রেমকাহিনি আছেরোমিও-জুলিয়েট টাইপ না-হোক, আমাদের সবারই একটি করে প্রেম কাহিনী আছে স্কুল-জীবনে অথবা কলেজ-জীবনে। হয়তো অনেকে সাহসী হয়ে বলতে পেরেছি ভালবাসার কথাটি। কেউ হয়তো বলতে পারিনি গোপন কথাটি। নিজের ভেতরই রয়ে গেছে না-বলা কথাটি। বইটি হাতে নিয়ে সেধরনেরই একটি কাহিনী পড়ার জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত হয়েছিলাম। প্রেম-ভালবাসার বই এখন আর ভাল লাগে না। ফালতু পেচাল বলে মনে হয়। উপহার হিসেবে পেয়েছি, আর লেখক নিজেই যেভাবে ঢোল পিটিয়েছেন তাই না-পড়ে থাকতে পারলাম না। পড়ার পরে স্বীকার করতে বাধ্য হলাম, ফালতু প্রেম-ভালবাসার কাহিনী মনে করে বইটি না-পড়ে ফেলে রাখলে নিজেই ঠকতাম। আসলে এটি লেখকের কোন কাহিনী না। একজন মেয়ের কাহানী। লেখক শুধু গল্পটি মেয়েটির মুখ থেকে শুনছেন। আসাধারন, বইটি একেবারেই অন্যরকম। জীবিকার প্রোয়োজনে একসময় লেখককে আমেরিকার প্রভিডেন্সে থাকতে হয়েছিল। সেই সময় ইভা নামের একটি মেয়ে লেখককে শোনায় এই অদ্ভুদ প্রেম কাহিনীটি। লেখক শুধু শুনে গেছেন, পরে তিনি ইভার বলা কথাগুলো পাঠকদের জন্য বই আকারে প্রকাশ করেছেন। গল্পটি আনিসুল হক শেষ করেননি। পাঠকদের জন্য রেখে দিয়েছেন। বইটি শেষ করার পর পাঠকদের প্রথম যে প্রশ্নটি মাথায় আসবে তা হলো শুভর সাথে ইভার আবার কি আগের মত সম্পর্ক হবে ?

চাসিং টুমোরো

Chasing Tomorrowসিডনি শেলডনের চাসিং টুমোরো  বইটি পড়ে আমি নতুন করে আবার প্রেমে পরেছিলাম, গল্পটির চিরত্রগুলোর। বেশ কিছু বছর ধরে  ট্রেসী হুইটনি এবং জেফ স্টিভেনস ধরা ছোয়া যায় না এমন একটি দল চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। একসাথে তারা দুজনে ধনী , লোভী ও দূর্নীতিবান লোকেদের বিরুদ্ধে ভয়ংকর ভয়ংকর চ্যালেন্জ মোকাবেলা করে। এক সময় নিজেদের জীবন যাপনের জন্য যথেষ্ঠ টাকা রোজগর করে ফেলে তারা। একদিন তারা তাদের এই অতি উ্তেজনামূলক জীবন ধারা বদলে ফেলে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়। বিয়ের পরের সময়টি ছিল অসম্ভব সুন্দর। তাদের জীবন দারুন থেকে দারুনতর হয়ে যাচ্ছিল। ব্রিটিশ মিউজজিয়ামে জেফ একটি কাজ পায়। কাজটি জেফের মনের মতো ছিল। কেননা সে সব সময়ই পুরাকীর্তি ও ঐতিহাসিক জিনিস পত্র পছন্দ করত। এই সময়টাতে ট্রেসী  মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। জেফ মন দেয় ক্যারিয়ারের দিকে। কিন্তু গর্ভধারণকালে ট্রসির কছু সমস্যা দেখা দেয় । সেে সন্তান  জন্ম দিতে ব্যর্থ হয়। এভাবেই এক সময় তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে। দশ বছর পর দেখা যায় তারা আলাদা  আলাদা ভাবে বাস করছে। জেফ আবারো ফিরে যায় আগের পেশায় আর ট্রেসী কোলারডোতে নতুন ভাবে শুরু করে নিজের জীবন। অনেক দিন পরে ট্রেসী ফ্রেন্চ ইন্টারপোল অফিসারের কাছ থেকে একটি ফোন পায়। তাকে কিছু দূর্ধর্ষ খুনের ঘটনার কথা বলা হয়। কেন ইন্তটারপোল অফিসার ফোন দেয় তাকে ? তবে কি  ট্রেসীকে ফিরে যেতে হবে আবার আগের পেশায় ? আবারো কি জেফের মুখোমুখি হবে সে ? জানতে হলে পড়তে হবে সিডনি শেলডনের চ্যাসিং টুমোরো !!!! চমৎকার একটি উপন্যাস।

তিতাস একটি নদীর নাম

Titash Ekti Nadir Naamতিতাস একটি নদীর নাম সিনেমাটির কথা বেশ মনে আছে। দেখেছিলাম অনেকদিন আগে। মনে মনে ইচ্ছা ছিল একটি রিভিউ লেখার। তবে আমি ঠিক গুছিয়ে লিখতে পারিনা, তবুও লিখতে চেষ্টা করছি। তিতাস একটি নদীর নাম সিনেমাটির কথা উঠলেই প্রথমে যে নামটি উচ্চারিত হয় তিনি হলেন বাংলার কিংবদন্তি পুরুষ ঋত্বিক কুমার ঘটক। তিতাস একটি নদীর নাম সিনেমাটি বানানোর কোন ইচ্ছা কিন্তু ঋত্বিক ঘটকের ছিল না। কারন তিনি এই লেখাটির সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। আমাদের মধ্যে অনেকেই জানি না গল্পটির রচয়িতা কে? অদ্বৈত মল্লবর্মণ নামের একজন সাংবাদিকের হাত দিয়ে এসেছে এই অসাধারন সিনেমাটির কাহিনী। তার মৃত্যুর কয়েক বছর পরে এই উপন্যাসটি বই আকারে বের হয়।একটিমাত্র উপন্যাস লিখে তিনি বাংলা সাহিত্যে চির অমর হয়ে আছেন। ঋত্বিক ঘটক  দৈবক্রমে উপন্যাসটি হাতে পান এবং বইটি পড়ে বসা অবস্থায় সিদ্ধান্ত নেন চিত্রনাট্য লেখার। কথিত আছে তিনি তার বোনের বাসায় সাদা কাগজ না পেয়ে বোনের সাদা শাড়িতে এই উপন্যাসের চিত্রনাট্য লিখতে বসে যান। ২০০৭ সালে ব্রিটিশ ফিল্ম ইন্সটিটিউটের জরিপে দর্শোক, চলচ্চিত্র সমালোচকদের ভোটে “তিতাস একটি নদীর নাম” সবার সেরা দশ বাংলা চলচ্চিত্রের মধ্যে সেরা স্থান অধিকার করে। সিনেমাটিতে ঋত্বিক ঘটক নিজেও অভিনয় করেছেন ছোট একটি চরিত্রে। পরিচালক ঋত্বিক ঘটক প্রথিভা চিনতে ভুল করেননি। রোজী সামাদ বাসন্তী চরিত্রে এতটাই বাস্তবসম্মত কাজ করেছেন যে দর্শোকদের মনেই হবে না তিনি অভিনয় করছেন। ওশন জামিলের অভিনয় ছিল অনবদ্য। ঋত্বিক ঘটক গোলাম মোস্তফার কাছ থেকে সেরাটা আদায় করতে পেরেছিলেন। প্রতিভা কি তা বুঝিয়েছেন গোলাম মোস্তফা তার শক্তিশালি অভিনয় ক্ষমতা দিয়ে। এই ছবির সবচেয়ে মজার বিষয় হলো টাইটেল মিউজিক। ঋত্বিক ঘটক ছবিটিতে টাইটেল মিউজিক ব্যবহার করেন আরিচা ঘাটের এক বৃদ্ধ ফকিরের গাওয়া গান। বাংলাদেশের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের অভিনয়ের সাবলিলতা, দক্ষতা এবং কাজের প্রতি নিষ্ঠা ঋত্বিক ঘটকে মুগ্ধ করেছিল। তিনি জোর গলায় বলেছিলেন, বাংলাদেশের শিল্পী ও কলাকুশলীদের দ্বরা যেকোন ভালো ছবি তৈরি সম্ভব”। তিতাস পারের কথা যাদের জানা নেই তারা দেখতে পারেন ছবিটি।

 

 

বয়হুড

Boyhoodবয়হুড সিনেমাটি আমি নিঃশ্বাস বন্ধ করে এক টানে দেখে গিয়েছি। কেন সিনেমাটি আমাকে এতটা মুগ্ধ করেছে তা আসলে এভাবে লিখে বোঝানো বেশ কঠিন। গভীর মানবিকতা বোধই হয়ত এর অনন্য হয়ে ওঠার কারণ। প্রতিটি দৃশ্য বাস্তবের মত মনে হয়েছে। মূল চরিত্র গুলোর সাথে সাথে প্বার্শ চরিত্র গুলোর অভিনয় দক্ষতাও ছিল দেখার মত। মনে হয়েছে প্রতিটি  ডায়ালগ তারা  মন থেকে বলছিল। সিনেমাটি দেখার পর আমেরিকানদের প্রতি একটা আলাদা ভালোলাগা তৈরী হয়েছে। হ্যাঁ আমরা জাতিগত ভাবে এক একজন একএক রকম । কিন্তু আমাদের ছোটবেলা, আমাাদের বেেড়ে ওঠা সবই প্রায় একই রকম। কৈশোরে আমরা সবাই যেন ভীষণ দিশাহীন হয়ে পরি। একাকিত্ব,অবহেলিত মনে হয় নিজেকে এই সময়টায়। ঠিক এই ব্যাপারগুলোই চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে  বয়হুড সিনেমাটিতে। ছবটির নামের মাঝেই লুকিয়ে রয়েছে এর বিষয়বস্তু। বয়হুড হলো এমন একটি সময়, না-শৈশব না তারুণ্য। ঠিক যেন এ দুটোর মাঝাামাঝি সসময়টা। যা কিনা বর্ণনাতীত। ছবিটি দেখার সময় দর্শক ফিরে পাবে তাদের ফেলে আসা কৈশোর। বয়হুড সিনেমাটির শেষ দৃশ্যটি ছিল আমার দেখা অন্যতম শেষ দৃশ্য গুলোর একটি । আমার মনে হয়না কখনো এই ছবিটি এডিটিং এর প্রয়োজন হবে। নিজস্ব বৈশিষ্ট্যে অনন্য এই ছবিটি। সিনেমা প্রেমিকরা তো বটেই আমি বলব সবারই এই সিনেমাটি অবশ্যই দেখা উচিৎ। এবছরের মাঝামাঝি সময়ে সিনেমাটি মুক্তি পায়। রিচার্ড লিংকলেটার পরিচালক এবং চিত্রনাট্য দুটিতেই কিস্তিমাত করেছেন।