Rebranding

rebranding

As you all know, this website is all about book reviews. But name BdReviews is too generic. That’s why we have decided that we will re-brand this website as Bibliosmic. Soon we will redirect the visitors to www.bibliosmiac.com.

১৯৫২-নিছক কোন সংখ্যা নয়…

1952

মনে করুন আপনি একটি গাড়িতে বসে।গাড়িটি চলছে কোন পাহাড়ি রাস্তায়।একটু পর পর অজানা তীক্ষ্ণ বাঁক।এরপরেও গাড়ির গতি ক্রমশ বেড়েই চলছে।আপনার কাছে ব্যাপারটা প্রচণ্ড উত্তেজনাকর যেমন মনে হচ্ছে,আবার ভয়ও পাচ্ছেন।না না আমি এর সাথে এই উপন্যাসটির সরাসরি তুলনা করছি না।কারন ঐ দুর্গম রাস্তায় উত্তেজনার চেয়ে বিপদের পরিমাণটাই বেশি।আর এই উপন্যাসটি পড়লে লাভ ছাড়া কোন ক্ষতি নেই।আমি মূলত তুলনা করছি এই দুটির মাঝের উত্তেজনাকর মুহূর্তগুলোর।তুলনা করছি দুটির ক্রমশ বেড়ে যাওয়া গতির।আর অজানা বাঁকের তো দুই ক্ষেত্রেই ছড়াছড়ি।আসলে উপন্যাসটির তুলনা হয়ত করা উচিত রোলার কোস্টার রাইডের সাথে।তবে হ্যা উপন্যাসটি পড়ার সময় একটা মানসিক অশান্তি আপনার সঙ্গী হবে।আপনার মনে হবে কখন এটা পড়া শেষ করবেন,কখন জানতে পারবেন সকল রহস্য এর সমাধান।এই উপন্যাসের যাত্রায় আপনি যখন যাত্রী হবেন,তখন আপনার মনে একটি প্রশ্নই থাকবে,এই যাত্রার শেষে কি আছে।

কাহিনী সংক্ষেপ-
সায়েম মোহাইমেন।সেই শৈশব থেকে তার স্বপ্ন একটি গাড়ি।তার বন্ধুদের মাঝে গাড়ি সম্পর্কে সে সবচেয়ে বেশি জানে।তাই তো তারা নিজেদের গাড়িও ছেড়ে দিত সায়েমের হাতে নির্দ্বিধায়।সেই সায়েমের ভাগ্যে শেষ পর্যন্ত এই ছিল!!তার নিজের কেনা প্রথম গাড়ি,সেই গাড়িতে প্রথম দিন।সে সময়ই সে ঘটিয়ে ফেলল দুর্ঘটনা,পৌঁছে গেল জেলে।
গোলাম মওলা ।বেচারা!টানা ১১ ঘণ্টা ভ্রমন করে ঢাকায় পৌঁছে কোথায় ঘুমাবে,তা না করে বেচারাকে রাতবেরাতে দৌড়াতে হল পুলিশস্টেশনে।হবে না কেন?সায়েম যে তারই বন্ধু,তাকে ছাড়াতে হবে না!কিন্তু সায়েম আর সে দুইজনেই জানেনা সামনে তাদের জন্য কত বড় বিস্ময় অপেক্ষা করছে।কি ঘটনার সাথে জড়িয়ে পড়তে যাচ্ছে তারা।আপাতদৃষ্টিতে যেসব ব্যাপার সাধারন মনে হচ্ছিল তা ধারন করবে কি বিশাল ভয়াবহতা!

উপন্যাসটি পড়ার সময় প্রথমেই মাথায় রাখবেন হাতে সময় আছে তো?হাতে কোন কাজ রেখে পড়তে বসবেন না।কারন একবার পড়া শুরু করলে শেষ না করা পর্যন্ত আপনার আর উঠতে ইচ্ছে করবে না।একবার পড়া শুরু করলে এই উপন্যাসটি আপনাকে তার সাথে বেঁধে রাখবে।দেখা যাবে আপনি কখন যে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা উল্টে পড়ে যাচ্ছেন তা নিজেও টের পাচ্ছেন না।

উপন্যাসটির গতিময়তার কথা তো আগেই উল্লেখ করেছি।তবে এই গতি কিন্তু সবসময় একইরকম না।একেবারে শুরুর দিকে গতি খুবই সাধারন।হয়ত সামনের তুমুল গতির জন্য আস্তে আস্তে পাঠকদের তৈরি করছিল।কিন্তু কিছুদূর যাবার পর কাহিনী যে গতিতে চলতে শুরু করে তার তুলনা হতে পারে ব্রেক-ফেল করা কোন গাড়ি।আর সে গতি ক্রমশ বেড়েই যাচ্ছিল,মনে হচ্ছিল যেন বুলেট ট্রেনকেও হার মানাবে।আর সাথে উপরি পাওনা হিসেবে রোমাঞ্চকর সব টুইস্ট তো আছেই।তবে এই অদ্ভুত গতিও একসময় কমতে শুরু করবে।তখন উপন্যাসের সে পর্যায়কে নিতান্ত সাধারন মনে হতে পারে।আসলে এর আগে যে গতিতে কাহিনী এগোচ্ছিল তাতে এটা মনে হওয়াই স্বাভাবিক।অবশ্য এই সময়টা খুবই কম স্থায়ী।একটু পরই কাহিনী আগের গতি ফিরে পেতে শুরু করে।হয়ত আগের সেই ব্রেক-ফেল করা গতি সম্পূর্ণ পায় না,কিন্তু যা পায় তাও কম নয়।

এই উপন্যাসটির শ্রেষ্ঠ সম্পদ কি প্রশ্ন করলে রহস্য,গতিময়তা,মারাত্মক সব টুইস্ট সহ নানা উত্তর দেওয়া যেতে পারে।কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এগুলোর একটিও সঠিক উত্তর নয়।সঠিক উত্তর লেখকের লেখনী।দুর্দান্ত সাবলীল,প্রাঞ্জল ভাষায় কাহিনীর বর্ণনা করেছেন তিনি।তবে এ কারনে আমি একে সঠিক উত্তর বলছি না।আরও স্পষ্ট করে বললে এই উপন্যাসের শ্রেষ্ঠ সম্পদ লেখকের লেখার দুর্ধর্ষ রসবোধ।যাকে বাংলায় বলে বাক্যবৈদগ্ধ,ইংরেজিতে “Wit”।আমি এর কোন উদাহরণ দিতে যাচ্ছি না,কারন পুরো উপন্যাসটিই বলতে গেলে এর উদাহরণ।

উপন্যাসটির এতসব ভালগুণ থাকলেও কিছু খামতিও আছে।অনেকে বলে উপন্যাসটির নারী চরিত্রের সাথে সম্পর্কিত ঘটনাগুলো বিরক্তিকর।আমার কাছে অবশ্য তা মনে হয়নি।এরকম গতির কাহিনীতে মাঝে মাঝে কিছুটা রিলাক্স হবারও দরকার আছে।তবে বিরক্তিকর যা লেগেছে উপন্যাসের তিন প্রধান পুরুষ চরিত্রেরই তাদের ভালভাসার নারীর প্রতি একই ধরনের আচরণ।এক্ষেত্রে মনে হয় তাদের যেন একই ছাঁচে গড়া হয়েছে!একটা-দুটো ঘটনার কারনে আমি এরকম বলছি না।পুরো উপন্যাসটিতেই আমার কথার প্রতফলন পাবেন।উপন্যাসটির আরেকটি খামতি কাকতালীয়টা।জীবনে কাক-তাল(!)জাতীয় ঘটনা ঘটবেই।আর এ ধরনের লেখায় একটু বেশিই ঘটবে এ তো জানা কথা।কিন্তু যখন রুডি চরিত্রের আগমন ঘটে,কিছু কিছু এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে যা ভেঙ্গে দিতে পারে কাকতালীয় ঘটনার সকল রেকর্ড।উপন্যাসটির আরেকটি জায়গা খামতির জায়গা এর ক্লাইমেক্স।একে অবশ্য খামতি পুরোপুরি বলা উচিত নয়।আসলে উপন্যাসটির ১২ আনা জায়গা যে গতিতে চলেছে,আর আপনার মনে যে প্রত্যাশা জাগিয়েছে তার কাছে একটু পানসে মনে হতে পারে ক্লাইমেক্সকে।

কাহিনীর শুরু আস্তে হলেও পরে যে বিশাল গতি পায় তা আগেই বলেছি।আসলে উপন্যাসটির ঐ অংশটি(মানে ১২ আনা অংশ!!) আন্তর্জাতিক মানের।ঐ অংশটি পাল্লা দিতে পারে বিশ্বের যে কোন থৃলারকে।মাথানষ্ট করা এই উত্তেজনাময় অংশ আপনাকে দিবে সর্বোচ্চ তৃপ্তি।লেখক কাহিনীর শেষে সব ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে চেষ্টা করেছেন,যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনাকে সন্তুষ্ট করবে।ক্লাইমেক্স পর্যন্ত রহস্য ধরে রাখতেও সক্ষম হয়েছেন তিনি।কিভাবে কি হয়েছে ধরতে না পারলেও সবকিছুর পিছনে কে আছে আমি অবশ্য আগেই টের পেয়েছিলাম।তবে তা লেখক প্রকাশ করার মাত্র কয়েক পৃষ্ঠা আগে!!

মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন এর সাথে আমার প্রথম পরিচয় তার করা অনুবাদের মাধ্যমে।তার করা বেশ কিছু অনুবাদ পড়ার পর জানতে পারি তার লেখা মৌলিক উপন্যাসগুলোর কথা।পড়ে ফেলি জেফরি-বাস্টার্ড সিরিজের প্রথম দুটি উপন্যাসও(বাকি দুটি এখনো পড়া হয়নি)।বেশ ভাল লেগেছিল পড়ে।ভাল লেগেছিল বাংলাদেশের কোন লেখক এধরনের লেখা লিখেছেন বলে।আমার এই ভাল লাগা এক লাফে কয়েক ধাপ উপরে উঠিয়ে নিয়েছে ১৯৫২।তিনি এই লেখাটি লিখেছেন সত্য এক ঘটনা থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে।তার ভাষায় ঘটনাটি ছিল পোয়েটিক জাস্টিসের চমৎকার উদাহরণ।আর সে উদাহরণ থেকে তিনি সৃষ্টি করছেন সার্থক থৃলার এর বাস্তব উদাহরণ।নাজিম ভাইয়ের এখন পর্যন্ত করা সেরা কাজ সম্ভবত এটাই।সামনে হয়ত তার কাছ থেকে আমরা এর চেয়েও ভাল লেখা উপহার পাব।সে উপহারের অপেক্ষায় রইলাম।

এক নজরে
বইয়ের নাম-১৯৫২-নিছক কোন সংখ্যা নয়…
লেখক-মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
প্রকাশক-বাতিঘর প্রকাশনী
প্রথম প্রকাশ-ফেব্রুয়ারি বইমেলা,২০১৪
প্রচ্ছদ-সিরাজুল ইসলাম নিউটন
গায়ের মূল্য-৩৪০ টাকা
আমার রেটিং-৪.৭৫/৫

বাংলাদেশের প্রথম রিভিউ ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম!

বাংলাদেশের প্রথম রিভিউ ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম! পৃথিবীতে অনেক বিখ্যাত রিভিউ ওয়েবসাইট আছে। তবে তার প্রায় সব ক’টাই ইংরেজিতে। বইয়ের রিভিউর জন্য আছে গুডরিডস, হোটেল কিংবা রিসোর্টের রিভিউর জন্য আছে ট্রিপ এডভাইসার, আর ফিল্মস বা মুভিসের জন্য আছে আইএমডিবি। সব ক’টিই কিন্তু ইংরেজিতে! যদিও কোন কোন ওয়েবসাইটে চাইলে আপনি বাংলা লিখতে পারবেন। কিন্তু ওয়েবসাইটগুলো বিদেশীদের তৈরি মূলত ভিন্ন ভাষার ওয়েবসাইট।

আমাদের প্রাণের ভাষা বাংলায় একটা রিভিউ ওয়েবসাইটের প্রয়োজনীয়তা আমরা সবাই অনুভব করছিলাম বেশ ক’বছর ধরেই। আমাদের এই যে বিশাল সাহিত্য ভাণ্ডার তার জন্য একটা বাংলা রিভিউ ওয়েবসাইট থাকবে না? আমাদের গান, চিত্রকলা, নাটক, কিংবা চলচ্চিত্রের জন্য? তাই কি হয় নাকি? এই ওয়েবসাইটটি আমাদের সংগ্রামের হাতিয়ার।

বিডিরিভিউস-এর সাথেই থাকুন।

অদ্রীশ বর্ধন: প্রফেসর নাটবল্টু সংগ্রহ

Boi_Image1622অদ্রীশ বর্ধনের কল্পবিজ্ঞান-কাহিনীর প্রধান চরিত্র খ্যাপাটে বৈজ্ঞানিক নাটবল্টু চক্র ওরফে প্রনাবচ কিশোরদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। প্রফেসরের চ্যালা দীননাথ নাথ ওরফে দীনানা  ক্ষুদে পাঠকদের সমবয়সী এক দুঃসাহসী চরিত্র। এদের ২ জনের হাস্যরসাত্মক মনগড়া কাহিনী জয় করে নিয়েছে বড়দের মনও।

 

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ঃ ফেরি ঘাট

Boi_Image2313জানালা দিয়ে রাস্তার স্কুটারটা অন্যমনস্কভাবে দেদেখছিল অমিয়। বহুকালের সঙ্গী। মায়া পড়ে গেছে। কল্যাণ তিন হাজার টাকা দর দিতে চেয়েছিল। জিনিসটা ইতালিয়ান  বলে নয়, মায়া পড়ে গেছে বলেই বেচেনি অমিয়। তাছাড়া একবার বেচে দিলেই আর কেনা হবেনা।

 

জহির রায়হানঃ সময়ের প্রয়োজনে

সময়ের প্রয়োজনে জহির রায়হান কিছুদিন আগে সংবাদ সংগ্রহের জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের একটা অগ্রবর্তী ঘাঁটিতে গিয়েছিলাম। ক্যাম্প-কমান্ডার ভীষণ ব্যস্ত ছিলেন। সেই ব্যস্ততার মুহূর্তে আমার দিকে একটা খাতা এগিয়ে দিয়ে বললেন, আপনি বসুন। এই খাতাটা পড়ুন বসে বসে। আমি কয়েকটা কাজ সেরে নিই। এরপর আপনার সঙ্গে আলাপ করব। খাতাটা হাত বাড়িয়ে নিলাম। লাল মলাটে বাঁধানো একটা খাতা

 

অঞ্জনা দাশঃ স্বর্ণমৃগ

স্বর্ণমৃগটালিগঞ্জের ম্যাটিনি আইডল আলোককুমার/বিশাল খ্যাতি, বিপুল জনপ্রিয়তা, বিস্ময়কর সাফল্য। তবে জোয়ারের জল যেমন কিছু কিছু অবাঞ্ছিত জিনিস ভাসিয়ে নিয়া আসে ঘাটের কাছে, সাফল্যও তেমনই এই অভিনেতার জীবনে এনে দিয়েছিল অনেক নারী, অনেক ভুল, ছদ্মবেশী প্রতারক। একটা সময় এল যখন চারপাশে দেদার লোক, অথচ অলোককুমার একা, নির্বান্ধব। বাড়ি ছেড়ে তিনি আস্রয় নিলেন অভিনেত্রী সুনেত্রার ফ্ল্যাটে।

 

অন্নদাশঙ্কর রায়ঃ আমার কাছের মানুষ

আমার কাছের মানুষমানুষ পিতার পরে যাকে আমি পিতার মত ভক্তি করতুম, তিনি ঢেঙ্কানল হাইস্কুলের হেডমাস্টার রাজেন্দ্রলাল দত্ত। সাত বছর বয়স থেকে সতেরো বছর বয়স পর্যন্ত তার সঙ্গে আমার শিক্ষক- শিক্ষার্থী সম্পর্ক। তার পরেও তাঁর সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিন্ন হয়না। সেটা পিতা-পুত্রের মত অচ্ছেদ্য । তিনি আমাদের ক্লাস নিতেন না। কিন্তু ক্লাস টিচার অনুপস্থিত থাকলে তিনি আসতেন ক্লাস নিতে। উপরের দিকে তিনি ইংরেজি পড়াতেন । নিচের ক্লাসগুলিতে তাঁর দর্শন পাওয়া যেত কদাচিৎ।

 

এন্ড দেন দেয়ার ওয়ার নানঃ অগাথা ক্রিস্টি

and then there was none book ১০ জন মানুষ! যাদের প্রত্যেকেরই কোন না কোন রহস্য আছে লুকিয়ে রাখার মতো! এবং তারা সবাই সেই রহস্যের কারণে পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তাদেরকে এক নিঃসঙ্গ ইন্ডিয়ান দ্বীপে আমন্ত্রণ জানানো হয়। কিন্তু যিনি আমন্ত্রণ জানান, তিনি নিজেই কখনো সামনে আসেন না। কিন্তু তাদের সবার জন্যই তিনি বার্তা পাঠিয়ে দেন, তারা কে কিভাবে খুন করেছে এবং পরবর্তীতে তাদের কি করা উচিৎ! কিন্তু রহস্যময় ব্যাপার হল, তার নির্দেশ অমান্য করার সাথে সাথে তাদের একেক জনের মৃত্যু হতে শুরু করে!  তাও আবার ছেলেবেলায় পড়া এক শিশুতোষ ছড়ার সাথে মিল রেখে!

টুকুনজিলঃ মুহাম্মদ জাফর ইকবাল

tukunjil jogot jafor iqbal book‘এরপর যে জিনিসটা ঘটলো তার জন্য কেউ প্রস্তুত ছিলনা। হটাৎ করে আংটিটা ছোট একটা লাফ দিলো টেবিলের উপর।তারপর ঠিক মানুষের হাঁটার ভঙ্গিতে টেবিলের উপর হেঁটে বেড়াতে লাগলো। ছোট খালার কাছাকাছি এসে আবার ছোট ছোট লাফ দিল আংটিটা।‘- টুকুনজিল উপন্যাসের অংশবিশেষ এটি। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী এবং কিশোর উপন্যাসের সংমিশ্রণে রচিত হয়েছে এটি।

প্রকাশনী ঃ অনন্যা

প্রকাশকালঃ জানুয়ারি ১৯৯৬

মুল্যঃ ৫০.০০