লুসি

LUCY5এই ছবিটি নিয়ে আমার তেমন একটা আগ্রহ ছিল না। সত্যি বলতে কি Leon বা The Fifth Element এর মত দুর্দান্ত ছবি যিনি তৈরি করেছেন সেই Luc Besson এর পরিচালিত ছবি হলেও কেন জানি মনে হচ্ছিল কয়েক দশক আগের সেই Besson কে হয়তো বা এই ছবিতে পাব না। তাই প্রত্যাশার পারদটা নিচের দিকেই ছিল। যাই হোক এবার ছবির গল্পটা বলি।

খুব সহজ একটা কাজ। শুধু একটা ব্রিফকেস মিস্টার জ্যাং এর কাছে পৌঁছে দিতে হবে। কিন্তু এই সহজ কাজটি করতে গিয়েই লুসি ভয়ঙ্কর একটি লেনদেনের জালে আটকে পরলো। ক্রমশ হয়ে উঠলো উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি সিনথেটিক ড্রাগস পাচারকারী। তবে যে পদ্ধতিতে সে ড্রাগস পাচার করে তা খুবই বিপদজনক। পাচারের জন্য লুসিকে ড্রাগসের ছোট্ট ব্যাগগুলো পাকস্থলীতে রাখতে হতো। এই ধরণের ড্রাগস পাচারকারিদের বলা হয় “ড্রাগস মিউল”। দুর্ঘটনাক্রমে লুসির পাকস্থলীতে থাকা ড্রাগস লিক করে। এর ফলে তার দেহে এমন কিছু পরিবর্তন ঘটে যা তার মনের অসীম ক্ষমতাকে জাগ্রত করে তুলে। নতুন এই ক্ষমতা তাকে ক্ষমাহীন যোদ্ধায় পরিণত করে। সে যে তাকে ড্রাগস লেনদেনের জালে আটকে ছিল তাকে ধরতে বদ্ধপরিকর হয়। লুসিকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে মনবিদ অধ্যাপক নরম্যান এবং ফরাসী পুলিস ক্যাপ্টেন দেল রিও।

খবই চমৎকার সিনেমাটোগ্রাফি, ভাল গল্প আর টানটান উত্তেজনা। খুব উঁচু দরের ছবি না হলেও “লুসি” দেখে ভালোই লেগেছে। The Fifth Element ফ্যান হলে Besson এর ছবির গতিশীলতা, দুর্দান্ত ক্যামেরার কাজ আর visual allegory সম্পর্কে নিশ্চয় ধারণা আছে। এই ছবিতে তার সবই পাবেন। গতানুগতিক সায়েন্স ফিকশনগুলো থেকে লুসি সত্যিই কিছুটা ভিন্ন। লুসি আমাদের সত্ত্বার খুব গভীরে থাকা মানুষটাকে দেখতে শেখায়। লুসি আমাদের নতুন করে ভাবতে শেখায়, আমাদের অস্বস্তিকর কিন্তু প্রাসঙ্গিক কিছু প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায়, এই জগত-চরাচরকে নতুন করে দেখতে শেখায়।

Director: Luc Besson
Writer: Luc Besson
Stars: Scarlett Johansson, Morgan Freeman, Min-sik Choi

গুডফেলাস

Goodfellasছবিটির কথা কিভাবে প্রকাশ করলে সঠিক হবে বুঝতে পারছিনা। একটি মাত্র শব্দ এই মুহুর্তে আমার মাথায় আসছে বিস্ময়কর। সত্যি ঘটনা নিয়ে তৈরী এই ছবিটি অসম্ভব ভাল লেগেছে আমার। ছবির দুনিয়ায় এখন পর্যন্ত যতগুলো শ্রেষ্ট্র কাজ হয়েছে তারমধ্যে গুডফেলাস,অন্যতম মনে হয়েছে আমার কাছে। অবশ্যই এটি একটি অমূল্য সম্পদ ছবির দুনিয়ার জন্য। সিনেমা ইতিহাসে একটি ল্যান্ডমার্ক। ছবিটি দেখার সময় দর্শকরা চোখের পাতা ফেলতে ভুলে যাবে। সত্যি আমি এক মুহুর্তের জন্যও চোখ ফেরাতে পারিনি। আইএমডিবির প্রথম সারির এই ছবিটির রেটিং ৮.৭। ২০ বছর আগের এই ছবিটি এখনও একটি আইকন। আমার মনে হয় ১০০ বছর পরেও ছবিটির জনপ্রিয়তা কমবে না। অসামান্য অভিনয় করেছেন রবার্ট ডি নিরো, জো এবং রে। মার্টিন স্করসিসে মাফিয়া পরিবার নিয়ে অসাধারন এই ছবিটি তৈরি করেছেন। এখন পর্যন্ত যতগুলো ক্রাইম ড্রামা তৈরি হয়েছে তারমধ্যে এই ছবিটির অবস্থান শীর্ষে। চরিত্রগুলোর কথা দর্শকরা ভুলতে পারবে না। ছবিটি আমাকে ব্যপক আনন্দ দিয়েছে। ক্রাইম ড্রামার ইতিহাসে গুডফেলাস ছবিটি একটি মাস্টারপিস। বিনোদনের জন্য এই ছবিটি অসাধারন।

ওয়ান ফ্লু ওভার দ্য কাকুস নেস্ট

One Flew Over the Cuckoos Nestএই ছবিটি নিয়ে কিছু লিখা সত্যি একটি কঠিন কাজ। ছবিটি প্রধান পাঁচটি ক্ষেত্রেই (ছবি, পরিচালক, অভিনেতা, অভিনেত্রী ও চিত্রনাট্য) অস্কার পেয়েছিল। আমার মনে হয় এই ছবিটিই পরিচালক মিলস ফরমানের সর্বশ্রেষ্ঠ পরিচালনা।সংলাপগুলো অসাধারন লিখেছেন দুজন লেখকই। সমালোচকরা হাজার বার চেষ্টা করেও কোন খুদ বা ভুল বের করতে পারবেনা ছবিটির। এই কৃতিত্ব অবশ্যই পরিচালক মিলস ফরমানের প্রপ্প্য। দর্শকদের জন্য শিক্ষনিয় অনেক বিষয় আছে ছবিটিতে। কাহিনীর গভিরতা দর্শকদের চোখকে শুধু আটকাবে না, মনকেও বেধে ফেলবে। গল্পটি অসাধারন এবং অবিশ্বাস্য। আমি মনে করি যারা এই ছবিটি দেখেনি তারা জীবনের বিরাট একটা অভিজ্ঞতা হতে বঞ্চিত করছে নিজেদের। মহান একটি শিক্ষা থেকেও দূরে থাকছেন। একটি মানসিক পূনরবাসন কেন্দ্রের একজন রোগিকে আনা হয়। রোগিটি ছিল সাজাপ্রাপ্ত একজন অপরাধী।কিন্তু সত্য হল ম্যাক মারফি নামের রোগিটি মানসিকভাবে অসুস্থ্ না, সে সম্পূর্ন সুস্থ।শাস্তি ফাঁকি দেয়ার জন্যই সে মানসিক রোগির ভং ধেরেছিল। সাইকোলজিস্ট বিশ্বকে কাপিয়ে দিয়েছিল ওয়ান ফ্লু ওভার দ্য কাকুস নেস্ট ছবিটি।

ফরেস্ট গাম্প

Forrest Gumpপ্রায় ১৫ বছর আগে যখন ছবিটি দেখেছিলাম তখন আমার মনে হয়েছিল বাজে একটি ছবি এবং প্রশংসা করার মত কোন কিছুই খুঁজে পাইনি। কিছু দিন আগে আবার দেখলাম। সত্যি বলতে কি আমি বিস্ময়ে বোবা হয়ে গেলাম। ছবিটির কাহিনীটিকে আমার মনে হয়েছে আশ্চর্যজনক একটি গল্প। এই ছবিটি দর্শকদের জীবন সম্পর্কে অনেক কিছু শিখতে সাহায্য করবে এবং যারা এই ছবিটি দেখবে তারা বুঝতে পারবে জীবনের মানে কি। এত সুন্দর পৃথিবীতে কিভাবে আমরা আমাদের প্রতিটি সময়কে মূল্যবান করে তুলতে পারি। আমার মনে হয়েছে ছবিটির মূল ভাব হলো, মনোবল যদি দৃঢ় হয় তাহলে শারিরীক সমস্যাও বাধা হয়ে দাড়াতে পারেনা কোন মানুষের জীবনে এবং সততা জিনিসটা যে শুধু বইয়ে নয় বাস্তব জীবনেও দরকার। একজন নির্দোষ মানুষ তার সহজ-সরলতা দিয়ে প্রভাবিত করতে পারে অন্য একজন মানুষকে। খুব সহজেই দর্শকরা তা বুঝতে পারবে। আমাদের কে আল্লাহ যে জীবন দান করেছেন তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকা উচিত সবার। ফরেস্ট গাম্প মুভিটি আমার দেখা সেরা একটি মুভি। আমার বিশ্বাস ছবিটি সব শ্রেনীর দর্শকদের মুগ্ধ করবে। জীবন-দর্শন নিয়ে তৈরি হওয়া ছবিটি আইএমডিবি-র তালিকায় আছে ৮.৭ রেটিং নিয়ে।

স্টার ওয়ার্স:এপিসোড ৫. দ্য এম্পায়ার স্ট্রাইক্স ব্যাক

Star Wars-Episode 5 - The Empire Strikes Backস্টার ওয়ার্স ছবিগুলোর মধ্যে এপিসোড ৫ মানে দ্য এম্পায়ার স্ট্রাইক্স ব্যাক পর্বটি এক কথায় অপূর্ব। অন্য পর্বগুলোর চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষনীয়। আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়, অনেক দর্শক আছে যারা এই ছবিটি পছন্দ করেনি। এখন পর্যন্ত মানব ইতিহাসে যতগুলো বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নিয়ে ছবি বানানো হয়েছে তারমধ্যে দ্য এম্পায়ার স্ট্রাইক্স ব্যাক ছবিটি সবচেয়ে সেরা। যারা অভিনয় করেছে ছবিটিতে সবার অভিনয় চমত্কার লেগেছে আমার কাছে। বিশেষ করে মার্ক হ্যামিল, হ্যারিসন ফরড, ক্যারি ফিশারের অভিনয় তাক লাগিয়ে দিবে দর্শকদের। তাদের অভিনয় ক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে বিকশিত হয়েছে ছবিটিতে। আমার মনে হয়, যারা এই ছবিটি পছন্দ করেনি তাদের সমালোচনা শুনে কারোই উচিত হবে না ছবিটি দেখা থেকে নিজেকে বঞ্চিত করা। এই ছবিটি আমার বহুবার দেখা হয়ে গেছে। বারবার দেখার পরেও এখনও নতুন মনে হয়। ১৯৮০ সালে বানানো মানে তিন দশক আগের এই ছবিটি আইএমডিবি (ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেইস) এর ১২ নাম্বারে আছে ৮.৮ রেটিং নিয়ে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন ইভ্রিন কেশ্নার।

দি রিটার্ন অফ দি কিং

The Lord of the Rings-The Return of the Kingসত্যি এটা একটি সেরা কাজ।যাকে বলা হয় মাষ্টারপিস। দি রিটার্ন অফ দি কিং অবশ্যই সেধরনের একটি ছবি। যোগ্য ছবি হিসাবে ১১টি  বিভাগে অস্কার জিতে নেয় দি রিটার্ন অফ দি কিং। দি ফেলোশিপ অফ দি রিং ছবিটি সত্যি অসাধারন একটি ছবি কিন্তু দি রিটার্ন অফ দি কিং হলো এখন পর্যন্ত আমার দেখা সর্বশ্রেষ্ঠ ফিল্ম। এই ছবির প্রত্যেকটি বিষয় খুবই সুন্দর। বিশেষ করে ভৌতিক দৃশ্যগুলি।ক্যামেরার কাজ অসাধারন। যারা অধিক ভীতু তাদের সতর্ক হয়ে ছবিটি দেখ উচিত হবে। কারন দৃশ্যগুলি এতটা বাস্তব যে হার্টের সমস্যা হতে পারে। দি রিটার্ন অফ দি কিং তিনটি অবিশ্বাস্য এবং চমৎকার ছবির শেষ ভাগ। কাহিনীটি শুরু থেকেই দর্শকদের তীব্র আকর্ষন করবে এবং শেষ দৃশ্য পর্যন্ত আটকে রাখবে। ছবিটির ইফেক্টগুলো এক কথায় অনবদ্য। চরিত্রগুলো একটি চেয়ে অন্যটি অসম্ভব সুন্দর। দি রিটার্ন অফ দি কিং ছবিটি আমকে দারুন ভাবে স্থম্ভিত করেছিল। যার ছবিটি দেখেনি তাদের অবশ্যই দেখা উচিত। আইএমডিবির (ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেইস) ২৫০ মুভির তালিকায় আছে দি রিটার্ন অফ দি কিং।

দি ফেলোশিপ অফ দি রিং

The Fellowship of the Ringএটি একটি  নিখুঁত সিনেমা। এখন পর্যন্ত যতগুলো ছবি বানানো হয়েছে পৃথিবীতে তার কোনটির সাথে এই ছবিটির তুলনা করা যাবে না। বিশেষ করে ছবিটির  চিত্রনাট্য, চরিত্র, এবং যে দক্ষতা ব্যবহার করা হয়েছে তা সত্যি অতুলনিয়। আমার কাছে ছবিটির কাহিনী এক কথায় ব্রিলিয়ান্ট মনে হয়েছে। মূল বইকেও হার মানিয়েছে ছবিটি। সব ধরনের দর্শক ছবিটি উপভোগ করবে। যারা এই ছবিটি দেখেননি তাদের কে অনুরোধ করবো দেখার জন্য। না হলে ঠকবেন। এখন পর্যন্ত বানানো সেরা ছবিগুলোর একটি দি ফেলোশিপ অফ দি রিং। সেরা ছবির জন্য পাওয়া একাডেমি পুরস্কারটিও বলতে গেলে এই ছবির জন্য কম হয়ে যায়।  ছবিটি দেখার সময় সবার চোখই বিষ্বয়ে বড় হয়ে যাবে। যারা বই পড়তে ভালবাসেন কিন্তু সিনেমা দেখা পছন্দ করে না, সে ধরনের মানুষকেও ছবিটি আনন্দ দিবে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আসাধারন। IMDB-এর তালিকায় স্থান পাওয়া ছবিটি অসম্ভব জনপ্রিয়তা লাভ করে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পাল্প ফিকশন

Pulp Fictionএককভাব নির্মিত অন্যতম সেরা ছবিগুলোর একটি হল পাল্প ফিকশন এবং ছবিটির পরিচালক কোয়েন্টিন টারান্টিনো হলেন অন্যতম ক্রিয়েটিভ পরিচালকদের একজন। শুরু থেকেই ছবিটি অত্যন্ত অসাধারন। ব্রুস উইলিয়াম, স্যামুয়েল এল জ্যাকসান, জন ট্রাভোল্ট, উমা থুরম্যান, হার্ভে কিতাল, টিম রথ এবং ক্রিস্টোপার ওয়াকেনের মত অভিনেতাদের সমন্বয় ছবিটিকে করে তুলেছে আরো উদ্দিপনাপূর্ন। আমার মতে এই ছবির ব্যাপক সাফল্যের পিছনে রয়েছে এর রহস্যজনক ডায়লগ। ছবিটি তার অসাধারন নির্মানশৈলীর জন্য অস্কার পুরষ্কারে মনোনীত হয়। ৯০ এর দশকে নির্মিত ছবিগুলোর মধ্যে পাল্প ফিকশন অন্যতম। খোদ তারানতিনোর বানানো কোন ছবি এখন পর্যন্ত পিছনে ফেলতে পারেনি পাল্প ফিকশনর গুনগত মান এবং যোগ্যতাকে।আমার মনে হয় এটি সর্বকালের সেরা ছবিগুলোর একটি। IMDB মুভির লিস্ট ছবিটি স্থান পেয়েছে উপরের দিকে।

১২ অ্যাংরি মেন

12 Angry Menএক কথায় অসাধারন বলার মত একটি সাসপেন্স মুভি। সাদা-কালো প্রিন্টে ধারন করা মুভিটির বেশি ভাগ দৃশ্য একটি কামরার মধ্যে সীমাবদ্ধ। পরিচালনার গুনে সেই কামরাটিতে যে পরিমাণ উত্তেজনা তৈরি হয়, তা অনেক থ্রিলার মুভিতেও পাওয়া যায় না। লক্ষ লক্ষ ডলার ব্যায় করেও এধরনের ছবি বানানো যায় না। এর জন্য লাগে মেধা, লাগে সৃষ্টিশীলতা। ছবিটির চিত্রনাট্যে দিকে একটু খেয়াল করলেই বুঝা যায় এটি একটি ক্রিয়েটিভ কাজ। কম বাজেটের এই ছবিটি সর্বকালের সেরা ছবি হিসাবে স্থান পায় IMDB সেরা ২৫০ ছবির তালিকায়। দর্শকদের ভাল মুভি দেখার ইচ্ছাকে জাগ্রত করবে এই মুভিটি এবং সিনেমা দেখার দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে দিবে। সাদা-কালো বলে মুভিটি দেখা থেকে কারোই নিজেকে বঞ্চিত করা একদমই ঠিক হবে না। যদি কেউ ৫-৬ মিনিট ধর্য্য ধরে মুভিটি দেখে তাহলে শেষ পর্যন্ত দেখতে বাধ্য হবে। কাহিনী তাকে আটকে ফেলবে অক্টপাসের মত। আর ছুটতে পারবেন না শেষ না দেখা পর্যন্ত। চমৎকার এই মুভিটি কিন্তু মাত্র ৯৬ মিনিটের। দেখা শেষ হলে প্রতিটি দর্শকের মনে হবে কেন এত তারাতারি শেষ হয়ে গেল মুভিটি। অসাধারন কিছু ডায়লগ আছে যা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যাবে। কাহিনী শুরু হয়েছে আদালতে, নিজের বাবাকে হত্যা করার জন্য অভিযুক্ত হয় একটি অল্প বয়সি ছেলে। আদালত থেকে ১২ সদস্যের একটি জুরিবোর্ড গঠণ করার নির্দেশ দেয়া হয়, ছেলেটি দোষী নাকি নির্দোষ তা বের করার জন্য। তার পরের কাহিনী আসাধারন। মুভিটি পরিচালনা করেছেন Sidney Lumet।

দ্য গডফাদার

The-Godfatherনিউইয়র্কের সবচেয়ে শক্তিশালী ইতালীয় মাফিয়া ডন হলো ভিত্তো কর্লিওন ও তার পরিবার।ডনের একমাত্র মেয়ের বিয়ের অথিতিদের তদারকির মাধ্যমে শুরু হয় মুভিটি।ডন ভিত্তো কর্লিওন পুরোনো প্রথায় জীবন-যাপনে বিশ্বাসী এবং পছন্দ করেন।তার পছন্দই পরিবারের শেষ কথা।ডন ভিত্তোর তিন ছেলের মধ্যে একমাত্র মাইকেলেরই যোগ্যতা আছে ডনের অবর্তমানে পরিবারকে নেতৃত্ব দেয়ার।কিন্তু প্রাক্তন সৈনিক ছোট ছেলে মাইকেল বাবার ‘ব্যবসা’ পছন্দ করে না।ডন কর্লিওনের বড় ছেলে সনি সাহায্য করে বাবার সাম্রাজ্য দেখা-শোনায়।তবে সে বাবার কোন গুনই পায়নি।অতি রগচটা এবং মাথা গরম তার।মেঝো ছেলে ফ্রেডো এককথায় অযোগ্য।ডন ভিত্তোকে যারা সম্মান করে তাদের কাছে তিনি অত্যন্ত বিনয়ী এবং প্রচন্ড দয়ালু।অপরদিকে তাদের প্রতি চরমভাবে নিষ্ঠুর যারা তার পরিবারের মঙ্গলের প্রতি বাধা হয়ে দাড়ায়।পুরোনো ঐতির্যকে ধরে রেখে ডন ভিত্তো মাদকের ব্যবসাকে প্রচন্ড ঘৃনা করে।তাই  ডনকে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়।পরিবার ও মাফিয়া সাম্রাজ্যের খাতিরে সামনে এগিয়ে আসে ডনের ছোট ছেলে মাইক।১৯৭৩ সালে অস্কারে দশটি নমিনেশ পায় মুভিটি।পুরস্কায় পায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র,শ্রেষ্ঠ অভিনেতা,শ্রেষ্ঠ রূপান্তরিত চিত্রনাট্যে।মুভিটি পরিচালনা করেন ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা।