অন ইন্সপেক্টর কল্স

An Inspector Callsঅন ইন্সপেক্টর কল্স মুভিটি বেশ পুরানো সাদা-কালো ক্লাসিকাল একটি মুভি। মুভিটি প্রথম দেখেছিলাম যখন তখন আমার বয়স ছিল বড়জোড় ১৪-১৫। অসাধারন গল্পর জন্য সিনেমাটি মনে রেখেছি এখন পর্যন্ত। হঠাৎ করেই মুভিটির ডাউন-লোড লিন্ক পেয়ে গেলাম প্রায় ১৬ বছর পর। আবার দেখলাম মুভিটি। এবার আরো ভাল ভাবে বুঝতে পারলাম ডায়ালগগুলো। সেবা প্রকাশনীর এধরনের একটি বই আছে। নামটি মনে নেই। ইন্ডিয়ান বাংলা একটি মুভি বানানো হয়েছে এই সিনেমাটির কাহিনী নিয়ে। তেমন একটা ভাল লাগেনি। অন ইন্সপেক্টর কল্স মুভিটির শেষ ১০ মিনিট সবচেয়ে মজার মনে হয়েছে আমার। যদিও পুরো মুভিটাই রহস্য দিয়ে ঘেরা। অ্যালিস্টার সিম এর অভিনয় সিনেমাটিতে উজ্বল নক্ষত্রের মত মনে হয়েছে। যে একবার এই মুভিটি দেখবে, আমার মনে হয় না সে সহজে সিনেমাটি ভুলতে পারবে। একটি মেয়ের এনগেজমেন্ট অনুষ্ঠান দিয়ে ছবিটির শুরু। অনুষ্ঠানে এক পুলিশ অফিসার এসে জানায় ইভা নামের একজন মেয়ে সুইসাইড করেছে এবং সে এই আত্মহত্যার রহস্য তদন্তে নেমেছে। ইভার ডায়রিতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকের নাম আছে। যারা অতীতে কোন না কোন ভাবে ইভার সাথে অন্যায় আচরন করেছিল। এক কথায় অপরাধ করেছিল। এবং এরা প্রত্তকেই কোন না কোনভাবে ইভার মৃত্যুর জন্য দায়ী। কিন্তু এদের মধ্যে একজন হলো প্রকৃত খুনি। কে সে ? ঘটনা ক্রমে জানা গেল পুলিশ নিজেও ভুয়া। রহস্যের শেষ জানতে দেখে ফেলুন অন ইন্সপেক্টর কল্স মুভিটি।         

ইনসেপশন

Inceptionপ্রখ্যাত পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলান ইনসেপশন ছবিটি বানিয়েছেন স্বপ্ন নিয়ে। সব মানুষই স্বপ্ন দেখে। স্বপ্ন হলো মানব চরিত্রের সবচেয়ে রহস্যজনক মানসিক অবস্থা। মানুষকে ঘুমের মাধ্যমে স্বপ্নের কাছে যেতে হয়।মানুষের অবচেতন মনের মধ্যে অনেক ধরনের আইডিয়া লুকানো থাকে। যেমন বিজনিস ম্যানদের অবচেতন মনে থাকে কি করে আরো বেশি টাকা আয় করা যায় তার নতুন নতুন পরিকল্পনা, বিজ্ঞানীরা অবচেতন মনে অনেক তথ্য মাথায় নিয়ে ঘুড়েন বেড়ান ইত্যাদি। এই ছবিতে দেখা যাবে দুই চোর সেধরনের তথ্য চুরি করছে। কিন্তু কিভাব? সে এক অদ্ভুত উপায়। স্বপ্নের ভেতরে স্বপ্নের মাধ্যমে ব্যাপারটি ঘটে। দুই চোরের ভুমিকায় দেখা যাবে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (কব) এবং জোসেফ গর্ডন-লেভিট(আর্থার)কে। কাজটি আইন সম্মত না হওয়ায় কবের নাম অপরাধীর তালিকায় উঠে যায়। ফেরারি হয়ে যায় সে এবং এর প্রভাব পরে তার ব্যক্তিগত জীবনেও। এলোমেলো হয়ে যায় সব কিছু। শেষে দেখা যায় মরিয়া কব কারো মন থেকে কোনো তথ্য চায় না বরং একজনের মনে একটি তথ্য ডুকিয়ে দেওয়াই তার জীবনের শেষ উদ্দেশ্য। কি হবে শেষে? জানতে হলে দেখতে হবে ছবিটি।চোরে ভুমিকায় লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর অভিনয় আমার আসাধারন লেগেছে।