এলিট স্কোয়াড

Elite-Squad২০০৭ সালে রিলিজ হয় মুভিটি। মুভিটি দেখার সময় চোখের পলক এক মুহুর্তের জন্যও অন্য দিকে ফেড়াতে পারিনি।  ব্রাজিলিয়ান পরিচালক জোসে পাদিল্হা তার দ্বিতীয় ছবিতেই বাজিমাত করেছেন। দারুন ব্যবসা সফল ছবি হিসাবে নাম কুড়িয়ে নেয় মুভিটি। এলিট স্কোয়াডের তুমুল জনপ্রিয়তার কারনে ২০১০ সালে তৈরী করা হয় সিক্যুয়েল এলিট স্কোয়াড ২ : দ্য এনেমি উইথইং ছবিটি। ব্রাজিলিয়ানরা শুধু যে ফুটবলে পারদর্শি নয় এই ছবিটিই তার প্রমান। আমার দেখা এ্যাকশন মুভিগুলোর মধ্যে অন্যতম এলিট স্কোয়াড এই মুভিটি। আমার কাছে কেউ যদি জানতে চায় কোন কোন এ্যাকশন মুভিগুলো দেখবো, তাহলে আমি অবশ্যই এলিট স্কোয়াড মুভিটি দেখতে বলবো। এটি একটি রিয়েল লাইফ এ্যাকশন মুভি। মুভির কাহিনী শুরু হয় পোপকে দিয়ে। রিও তে আসবেন তিনি। কিন্তু তখন রিওর আসে-পাশের অবস্থা তেমন ভাল ছিল না। মানে পোপর জীবনের নিরাপর্তা নিয়ে ভাবার যথেষ্ট কারন ছিল। পুলিশ বাহিনী(BOPE) থেকে ক্যাপ্টন নাসিমেন্তোকে দায়িত্ব দেয়া হয় সবকিছু ঠিকঠাক রাখার জন্য। মূল এ্যাকশন দৃশ্য শুরু হয় এখান থেকে। রিও নামের জায়গাটি হলো ড্রাগ ডিলারদের নিরাপদ আড্ডার স্থান। ক্যাপ্টন নাসিমেন্তো শুরু করে তার কাজ। যারা এখনও দেখেন নি, দেরি না করে তাড়াতাড়ি দেখে নিন অসাধারণ মুভিটি। 

অন ইন্সপেক্টর কল্স

An Inspector Callsঅন ইন্সপেক্টর কল্স মুভিটি বেশ পুরানো সাদা-কালো ক্লাসিকাল একটি মুভি। মুভিটি প্রথম দেখেছিলাম যখন তখন আমার বয়স ছিল বড়জোড় ১৪-১৫। অসাধারন গল্পর জন্য সিনেমাটি মনে রেখেছি এখন পর্যন্ত। হঠাৎ করেই মুভিটির ডাউন-লোড লিন্ক পেয়ে গেলাম প্রায় ১৬ বছর পর। আবার দেখলাম মুভিটি। এবার আরো ভাল ভাবে বুঝতে পারলাম ডায়ালগগুলো। সেবা প্রকাশনীর এধরনের একটি বই আছে। নামটি মনে নেই। ইন্ডিয়ান বাংলা একটি মুভি বানানো হয়েছে এই সিনেমাটির কাহিনী নিয়ে। তেমন একটা ভাল লাগেনি। অন ইন্সপেক্টর কল্স মুভিটির শেষ ১০ মিনিট সবচেয়ে মজার মনে হয়েছে আমার। যদিও পুরো মুভিটাই রহস্য দিয়ে ঘেরা। অ্যালিস্টার সিম এর অভিনয় সিনেমাটিতে উজ্বল নক্ষত্রের মত মনে হয়েছে। যে একবার এই মুভিটি দেখবে, আমার মনে হয় না সে সহজে সিনেমাটি ভুলতে পারবে। একটি মেয়ের এনগেজমেন্ট অনুষ্ঠান দিয়ে ছবিটির শুরু। অনুষ্ঠানে এক পুলিশ অফিসার এসে জানায় ইভা নামের একজন মেয়ে সুইসাইড করেছে এবং সে এই আত্মহত্যার রহস্য তদন্তে নেমেছে। ইভার ডায়রিতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকের নাম আছে। যারা অতীতে কোন না কোন ভাবে ইভার সাথে অন্যায় আচরন করেছিল। এক কথায় অপরাধ করেছিল। এবং এরা প্রত্তকেই কোন না কোনভাবে ইভার মৃত্যুর জন্য দায়ী। কিন্তু এদের মধ্যে একজন হলো প্রকৃত খুনি। কে সে ? ঘটনা ক্রমে জানা গেল পুলিশ নিজেও ভুয়া। রহস্যের শেষ জানতে দেখে ফেলুন অন ইন্সপেক্টর কল্স মুভিটি।         

নাইন কুইন্স

Nine-Queens2৯টা স্ট্যাম্প নিয়েই এই মুভিটির মূল কাহিনী। ছবিটির চিত্রনাট্য এবং ডিরেকশন দুটোই করেছেন ফাবিয়ান বিলিনষ্কুখি নামের একজন আর্জেন্টাইন। ভদ্রলোক প্রমান করেছেন আর্জেন্টিনার মানুষ শুধু ফুটবল দিয়ে গোটা বিশ্বকে কাঁপান না। ভাল মুভি দিয়েও আর্জেন্টিনা পৃথিবীকে কাঁপাতে পারে। নাইন কুইন্স ছবিটি সেধরনের একটি মুভি। আমি ভদ্রলোকে মুগ্ধ। আর্জেন্টিনাকে চিনলাম নতুন করে। মুভিটিতে আসাধারন একটি গান আছে। মুভিটি দেখে আমার মনে হয়েছে মুভিটির প্রতি সুবিচার করা হয়নি। সত্যি কথা হলো এটা আন্ডার রেটেড মুভি। এত অসাধারন একটি মুভি কেন এত আন্ডার রেটেড বুঝতে পারছি না। হুয়ান নামের এক ছেলেকে দিয়ে শুরু এই সিনেমাটির। জুয়ার দেনায় আটকা পরা বাবাকে উদ্ধার করতে হুয়ান বেছে নেয় লোক ঠকানোর কাজ। মানুষের সাথে বিভিন্ন ধোকাবাজি ব্যবহার করে সে এবং তাদের টাকা মেরে দেয়। এটাই হয়ে উঠে তার একমাত্র কাজ। এই দুই নাম্বারি কাজ করতে গিয়ে পরিচয় হয় আরেক ঠকবাজের সাথে। যার নাম মারকুজ। হুয়ান এবং মারকুজ বিভিন্ন ট্রিকস ব্যবহার করে মানুষের টাকা মেরে দিতে থাকে। মারকুজের অসুস্থ এক পুরানো পার্টনারকে দেখতে যায় তারা। যার আঁকার হাত ঈশ্বর প্রদত্ত। হুয়ান এবং মারকুজকে সে ৯টি স্ট্যাম্প দেয় বিক্রি করার জন্য যার মুল্য কত হবে তাঁর কোন ধারনা নেই নিজেরও। এই স্ট্যাম্প নিয়েই শুরু হয় চোরের উপর বাটপারির পুরানো খেলা। আগে থেকে প্রেডিকশন করাটা খুব কঠিন, কি হবে শেষ পর্যন্ত মুভিটিতে।

পেপার মুন

Paper Moonচার্লি চ্যাপলিনের দ্যা কিড ছবিটির মতো আনন্দ আমাকে আর কোন মুভি দিতে পারেনি এখন পর্যন্ত, এই কথা বলছিলাম আমার কলিগ বন্ধুদের সাথে। তখন এক কলিগ আমাকে বললো পেপার মুন ছবিটি যদি দেখে-না হয়ে থাকে তাহলে দেখতে পার। তারপর কাজের চাপে ভুলে গেলাম মুভিটির কথা।  এক বন্ধের দিন বসলাম মুভিটি দেখার জন্য। অনেক দিন পর এত চমৎকার একটি মুভি দেখলাম। মন ভালো করা, মজার কোনো মুভি দেখতে চাইলে পেপার মুন মিস করা ঠিক হবে না। কাহিনীটি তৈরি হয়েছে জো ডেভিড ব্রাউনের এডি প্রে উপন্যাসটি থেকে। মা-বাবা হারা ছোট্ট মেয়ে এডিকে নিয়েই মুভিটির মূল কাহিনী। বাস্তবে পিতা ও কন্যা  রায়ান ও’নিল এবং ট্যাটুম ও’নিলের অভিনয় আমাকে মুগ্ধ করেছে। ১০ বছরের ছোট্ট ট্যাটুম ও’নিল তার সহজাত অভিনয় প্রতিভা দিয়ে জয় করে নেয় সবচেয়ে কম বয়সে অস্কার জয় করার খ্যাতাব। মুভিটিতে দেখা যায় মোসেস নামের একটি লোক সদ্য মা-হারা এডির দায়িত্ব নেয়। মোসেস হলো একজন ঠকবাজ তার প্রধান কাজ হলো লোক ঠকানো। সে যেভাবে মানুষ ঠকায় তা এক কথায় অসাধারন। সে যেখানেই যায় সেখানেই লোক ঠকায়। তবে কারই বড় ধরনের কোন ক্ষতিও সে করেন। এবার ঠকবাজ মোসেসর সাথে যুক্ত হলো ছোট্ট এডি। মাঝে মাঝে এডি এমন সব বুদ্ধি বের করে যা কোন বড় মানুয়ের মাথায়ও কখনো আসবে কিনা সন্দেহ। আবার সেই এমন কাজ করে যে দেখলে মনে হয় তার বুদ্ধি তার সমবয়সী কোন বাচ্চার চেয়েও কম। আমার মনে হয় পরিচালক পিটার বগ্দান্ভিচ তার জীবনের সেরা কাজটি করেছেন এই মুভিটিতে। সাদা-কালো আর পুরানো বলে মুভিটি মিস করবেন না। 

দি ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ

A Clockwork Orangeস্ট্যনলী কুবরিকের দি ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ ছবিটি দেখলে বুঝা যায় যে সিনেমা হতে পারে বিনোদনের সবচেয়ে আলোকজ্জল মাধ্যম। স্ট্যনলী কুবরিকের প্রতিটি ছবিই মাস্টারপিস। তবে এই ছবিটি তার নিজস্ব  মাত্রাকেই ছাড়িয়ে গেছে। অ্যান্থনি বার্জেসের ১৯৬২ সালের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয় এই মুভিটি । কিছু ছবি  থাকে যার কোনো তুলনা হয় না। এটা সেরকমেরই একটা ছবি। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছবিটি অসাধারণ। সহিংসতা আর সেক্সুয়াল হ্যারেজম্যান্ট নিয়ে অনেক ছবিই তৈরী হয়েছে। কিন্তু সে সব ছবি কতটা ভিতরে যেতে পেরেছে তা সবারই প্রশ্ন। স্ট্যনলী কুবরিকের এই সিনেমাটি একদম ভেতরকার কাহিনী তুলে এনেছে। ছবিটির মূল চরিত্র সতের বছর বয়সী অ্যালেক্স ডিলার্জ ইংল্যান্ড শহরের এক সুদর্শন তরুন। সুদর্শন এবং রুচিশিল। সে দুধ খেতে পছন্দ কর । আর ভালোবাসতো গান। তৎকালীন বিখ্যাত  ব্যান্ড ‘বিটোফেন’ এর দারুণ ভক্ত ছিল সে। চার সদস্য বিশিষ্ট এ গ্যাৎ এর দলনেতা ছিল অ্যালেক্স। স্কুল বিদ্বেশী এই চার তরুণ ছিল ভীষণ দূরন্ত আর নির্ভীক। চুরি, ডাকাতি, মারামারি, ধর্ষণ, বৃদ্ধ লোককে মারধর করা, এমনকি খুন তাদের কাছে কোন ব্যাপারই ছিল না। কিন্তু প্রকৃতির নিয়ম তো আর কেউ বদলাতে পারেনা। তাই তার কাজের ফল তাকে পেতেই হয়। এক সময় বন্ধুদর সাথে  অ্যালেক্সের সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করে। অ্যালেক্সের একাধিপত্যই এর কারণ ছিল। বন্ধুরা বিশ্বাসঘাতকতা করে তাকে ফেলে  চলে যায় এবং সে পুলিশের কাছে ধরা পরে। একজন মহিলাকে খুনের অপরাধে তাকে ১৪ বছরের সাজা পেতে হয়। কারাগারে তাকে লুডোভিকো চিকিৎসা দেয়া হয়। এই চিকিৎসায়  আসামীদেরকে লুডোভিকো কৌশলের মাধ্যমে খারাপ থেকে ভাল মানুষে পরিণত করা হয়। এই  চিকিৎসার মাধ্যমে অ্যালেক্স ভাল মানুষে পরিণত হয়। প্রকৃতঅর্থে অবশ্য ভাল নয়। এখনও তার খারাপ কাজগুলো করার ইচ্ছা থাকবে, কিন্তু সে চাইলেও সেগুলো করতে পারবে না   চিকিৎসার প্রভাবের কারণে। অ্যালেক্স জেল থেকে বেরিয়ে আসার পর এভাবেই এগুতে থাকে ছবির কাহিনী। লুডোভিকো চিকিৎসার প্রভাব এবং সমাজে অগ্রণযোগ্যত এই দুইয়ের সংমিশ্রণে বিচিত্র রুপ ধারণ করে অ্যালেক্সের জীবন। এভাবে অপরাধ ও শাস্তির চিরন্তন দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয় সিনেমাটিতে। অসাধারণ এই ছবিটি দর্শক একটানা দেেখে যেতে বাধ্য হবে। একই সাথে পর্দা কাঁপানো আর হৃদয় ছোঁয়া স্ট্যনলী কুবরিকের দি ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ ছবিটি। 

গুডফেলাস

Goodfellasছবিটির কথা কিভাবে প্রকাশ করলে সঠিক হবে বুঝতে পারছিনা। একটি মাত্র শব্দ এই মুহুর্তে আমার মাথায় আসছে বিস্ময়কর। সত্যি ঘটনা নিয়ে তৈরী এই ছবিটি অসম্ভব ভাল লেগেছে আমার। ছবির দুনিয়ায় এখন পর্যন্ত যতগুলো শ্রেষ্ট্র কাজ হয়েছে তারমধ্যে গুডফেলাস,অন্যতম মনে হয়েছে আমার কাছে। অবশ্যই এটি একটি অমূল্য সম্পদ ছবির দুনিয়ার জন্য। সিনেমা ইতিহাসে একটি ল্যান্ডমার্ক। ছবিটি দেখার সময় দর্শকরা চোখের পাতা ফেলতে ভুলে যাবে। সত্যি আমি এক মুহুর্তের জন্যও চোখ ফেরাতে পারিনি। আইএমডিবির প্রথম সারির এই ছবিটির রেটিং ৮.৭। ২০ বছর আগের এই ছবিটি এখনও একটি আইকন। আমার মনে হয় ১০০ বছর পরেও ছবিটির জনপ্রিয়তা কমবে না। অসামান্য অভিনয় করেছেন রবার্ট ডি নিরো, জো এবং রে। মার্টিন স্করসিসে মাফিয়া পরিবার নিয়ে অসাধারন এই ছবিটি তৈরি করেছেন। এখন পর্যন্ত যতগুলো ক্রাইম ড্রামা তৈরি হয়েছে তারমধ্যে এই ছবিটির অবস্থান শীর্ষে। চরিত্রগুলোর কথা দর্শকরা ভুলতে পারবে না। ছবিটি আমাকে ব্যপক আনন্দ দিয়েছে। ক্রাইম ড্রামার ইতিহাসে গুডফেলাস ছবিটি একটি মাস্টারপিস। বিনোদনের জন্য এই ছবিটি অসাধারন।

পাল্প ফিকশন

Pulp Fictionএককভাব নির্মিত অন্যতম সেরা ছবিগুলোর একটি হল পাল্প ফিকশন এবং ছবিটির পরিচালক কোয়েন্টিন টারান্টিনো হলেন অন্যতম ক্রিয়েটিভ পরিচালকদের একজন। শুরু থেকেই ছবিটি অত্যন্ত অসাধারন। ব্রুস উইলিয়াম, স্যামুয়েল এল জ্যাকসান, জন ট্রাভোল্ট, উমা থুরম্যান, হার্ভে কিতাল, টিম রথ এবং ক্রিস্টোপার ওয়াকেনের মত অভিনেতাদের সমন্বয় ছবিটিকে করে তুলেছে আরো উদ্দিপনাপূর্ন। আমার মতে এই ছবির ব্যাপক সাফল্যের পিছনে রয়েছে এর রহস্যজনক ডায়লগ। ছবিটি তার অসাধারন নির্মানশৈলীর জন্য অস্কার পুরষ্কারে মনোনীত হয়। ৯০ এর দশকে নির্মিত ছবিগুলোর মধ্যে পাল্প ফিকশন অন্যতম। খোদ তারানতিনোর বানানো কোন ছবি এখন পর্যন্ত পিছনে ফেলতে পারেনি পাল্প ফিকশনর গুনগত মান এবং যোগ্যতাকে।আমার মনে হয় এটি সর্বকালের সেরা ছবিগুলোর একটি। IMDB মুভির লিস্ট ছবিটি স্থান পেয়েছে উপরের দিকে।

দ্য গডফাদার

The-Godfatherনিউইয়র্কের সবচেয়ে শক্তিশালী ইতালীয় মাফিয়া ডন হলো ভিত্তো কর্লিওন ও তার পরিবার।ডনের একমাত্র মেয়ের বিয়ের অথিতিদের তদারকির মাধ্যমে শুরু হয় মুভিটি।ডন ভিত্তো কর্লিওন পুরোনো প্রথায় জীবন-যাপনে বিশ্বাসী এবং পছন্দ করেন।তার পছন্দই পরিবারের শেষ কথা।ডন ভিত্তোর তিন ছেলের মধ্যে একমাত্র মাইকেলেরই যোগ্যতা আছে ডনের অবর্তমানে পরিবারকে নেতৃত্ব দেয়ার।কিন্তু প্রাক্তন সৈনিক ছোট ছেলে মাইকেল বাবার ‘ব্যবসা’ পছন্দ করে না।ডন কর্লিওনের বড় ছেলে সনি সাহায্য করে বাবার সাম্রাজ্য দেখা-শোনায়।তবে সে বাবার কোন গুনই পায়নি।অতি রগচটা এবং মাথা গরম তার।মেঝো ছেলে ফ্রেডো এককথায় অযোগ্য।ডন ভিত্তোকে যারা সম্মান করে তাদের কাছে তিনি অত্যন্ত বিনয়ী এবং প্রচন্ড দয়ালু।অপরদিকে তাদের প্রতি চরমভাবে নিষ্ঠুর যারা তার পরিবারের মঙ্গলের প্রতি বাধা হয়ে দাড়ায়।পুরোনো ঐতির্যকে ধরে রেখে ডন ভিত্তো মাদকের ব্যবসাকে প্রচন্ড ঘৃনা করে।তাই  ডনকে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়।পরিবার ও মাফিয়া সাম্রাজ্যের খাতিরে সামনে এগিয়ে আসে ডনের ছোট ছেলে মাইক।১৯৭৩ সালে অস্কারে দশটি নমিনেশ পায় মুভিটি।পুরস্কায় পায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র,শ্রেষ্ঠ অভিনেতা,শ্রেষ্ঠ রূপান্তরিত চিত্রনাট্যে।মুভিটি পরিচালনা করেন ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা।

দ্যা শসাঙ্ক রেডেম্পশন

The-Shawshank-Redemptionস্টিফেন কিং এর “The Shashawnk Redemption and Rita Hewarth” নামের গল্প থেকে তৈরি হয়েছে মুভিটি। পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত যতগুলো ক্লাসিক মুভি তৈরি হয়েছে তার মধ্যে দ্যা শসাঙ্ক রেডেম্পশন মুভিটিকে এক নাম্বার ধরা হয়। আই.এম.ডি.বি-এর জগৎ সেরা ২৫০ মুভির তালিকায় দ্যা শসাঙ্ক রেডেম্পশন আছে এক নাম্বারে। একটু মনোযোগ দিয়ে দেখলে মুভিটি অবশ্যই সবার ভাল লাগবে। রেডের(মরগান ফ্রীমান) অভিনয় সবাইকে বাক্যহারা করবে।দ্যা শসাঙ্ক রেডেম্পশন হলো এমন একটি অসাধারন  মুভি যা না দেখলে জীবনের কিছু জিনিস মিস হয়ে যাবে। যারা দেখেছেন সবাই একবাক্যে একথা স্বিকার করবে। কাহিনীটি শুরু হয় এভাবে, স্ত্রী এবং তার প্রেমিককে খুনের দায়ে যাবৎজীবন কারাদণ্ড দেয়া হয় মেধাবী ব্যাংকার অ্যান্ডি দুফ্রেন(টিম রবিন্স) কে। জেলখানায় এসে তার পরিচয় এবং বন্ধু্ত্ব হয় রেড(মরগান ফ্রীমান) এর সাথে।ব্যাংকার অ্যান্ডি দুফ্রেন(টিম রবিন্স) নিজের মেধাকে কাজে লাগিয়ে কারাগারের সবার প্রিয়পাত্র হয়ে উঠে। মুভিটি অসম্ভব ভাবে আন্ডার রেটেড।মুভিটির শেষর অংশটি অসাধারন।দর্শকরাও মুক্তির আনন্দ অনুভব করবে। মুভিটি পরিচালনা করেছেন  Frank Darabont.