ইনসেপশন

Inceptionপ্রখ্যাত পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলান ইনসেপশন ছবিটি বানিয়েছেন স্বপ্ন নিয়ে। সব মানুষই স্বপ্ন দেখে। স্বপ্ন হলো মানব চরিত্রের সবচেয়ে রহস্যজনক মানসিক অবস্থা। মানুষকে ঘুমের মাধ্যমে স্বপ্নের কাছে যেতে হয়।মানুষের অবচেতন মনের মধ্যে অনেক ধরনের আইডিয়া লুকানো থাকে। যেমন বিজনিস ম্যানদের অবচেতন মনে থাকে কি করে আরো বেশি টাকা আয় করা যায় তার নতুন নতুন পরিকল্পনা, বিজ্ঞানীরা অবচেতন মনে অনেক তথ্য মাথায় নিয়ে ঘুড়েন বেড়ান ইত্যাদি। এই ছবিতে দেখা যাবে দুই চোর সেধরনের তথ্য চুরি করছে। কিন্তু কিভাব? সে এক অদ্ভুত উপায়। স্বপ্নের ভেতরে স্বপ্নের মাধ্যমে ব্যাপারটি ঘটে। দুই চোরের ভুমিকায় দেখা যাবে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও (কব) এবং জোসেফ গর্ডন-লেভিট(আর্থার)কে। কাজটি আইন সম্মত না হওয়ায় কবের নাম অপরাধীর তালিকায় উঠে যায়। ফেরারি হয়ে যায় সে এবং এর প্রভাব পরে তার ব্যক্তিগত জীবনেও। এলোমেলো হয়ে যায় সব কিছু। শেষে দেখা যায় মরিয়া কব কারো মন থেকে কোনো তথ্য চায় না বরং একজনের মনে একটি তথ্য ডুকিয়ে দেওয়াই তার জীবনের শেষ উদ্দেশ্য। কি হবে শেষে? জানতে হলে দেখতে হবে ছবিটি।চোরে ভুমিকায় লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর অভিনয় আমার আসাধারন লেগেছে।

 

স্টার ওয়ার্স:এপিসোড ৫. দ্য এম্পায়ার স্ট্রাইক্স ব্যাক

Star Wars-Episode 5 - The Empire Strikes Backস্টার ওয়ার্স ছবিগুলোর মধ্যে এপিসোড ৫ মানে দ্য এম্পায়ার স্ট্রাইক্স ব্যাক পর্বটি এক কথায় অপূর্ব। অন্য পর্বগুলোর চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষনীয়। আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়, অনেক দর্শক আছে যারা এই ছবিটি পছন্দ করেনি। এখন পর্যন্ত মানব ইতিহাসে যতগুলো বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নিয়ে ছবি বানানো হয়েছে তারমধ্যে দ্য এম্পায়ার স্ট্রাইক্স ব্যাক ছবিটি সবচেয়ে সেরা। যারা অভিনয় করেছে ছবিটিতে সবার অভিনয় চমত্কার লেগেছে আমার কাছে। বিশেষ করে মার্ক হ্যামিল, হ্যারিসন ফরড, ক্যারি ফিশারের অভিনয় তাক লাগিয়ে দিবে দর্শকদের। তাদের অভিনয় ক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে বিকশিত হয়েছে ছবিটিতে। আমার মনে হয়, যারা এই ছবিটি পছন্দ করেনি তাদের সমালোচনা শুনে কারোই উচিত হবে না ছবিটি দেখা থেকে নিজেকে বঞ্চিত করা। এই ছবিটি আমার বহুবার দেখা হয়ে গেছে। বারবার দেখার পরেও এখনও নতুন মনে হয়। ১৯৮০ সালে বানানো মানে তিন দশক আগের এই ছবিটি আইএমডিবি (ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেইস) এর ১২ নাম্বারে আছে ৮.৮ রেটিং নিয়ে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন ইভ্রিন কেশ্নার।

দি রিটার্ন অফ দি কিং

The Lord of the Rings-The Return of the Kingসত্যি এটা একটি সেরা কাজ।যাকে বলা হয় মাষ্টারপিস। দি রিটার্ন অফ দি কিং অবশ্যই সেধরনের একটি ছবি। যোগ্য ছবি হিসাবে ১১টি  বিভাগে অস্কার জিতে নেয় দি রিটার্ন অফ দি কিং। দি ফেলোশিপ অফ দি রিং ছবিটি সত্যি অসাধারন একটি ছবি কিন্তু দি রিটার্ন অফ দি কিং হলো এখন পর্যন্ত আমার দেখা সর্বশ্রেষ্ঠ ফিল্ম। এই ছবির প্রত্যেকটি বিষয় খুবই সুন্দর। বিশেষ করে ভৌতিক দৃশ্যগুলি।ক্যামেরার কাজ অসাধারন। যারা অধিক ভীতু তাদের সতর্ক হয়ে ছবিটি দেখ উচিত হবে। কারন দৃশ্যগুলি এতটা বাস্তব যে হার্টের সমস্যা হতে পারে। দি রিটার্ন অফ দি কিং তিনটি অবিশ্বাস্য এবং চমৎকার ছবির শেষ ভাগ। কাহিনীটি শুরু থেকেই দর্শকদের তীব্র আকর্ষন করবে এবং শেষ দৃশ্য পর্যন্ত আটকে রাখবে। ছবিটির ইফেক্টগুলো এক কথায় অনবদ্য। চরিত্রগুলো একটি চেয়ে অন্যটি অসম্ভব সুন্দর। দি রিটার্ন অফ দি কিং ছবিটি আমকে দারুন ভাবে স্থম্ভিত করেছিল। যার ছবিটি দেখেনি তাদের অবশ্যই দেখা উচিত। আইএমডিবির (ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেইস) ২৫০ মুভির তালিকায় আছে দি রিটার্ন অফ দি কিং।

দি ফেলোশিপ অফ দি রিং

The Fellowship of the Ringএটি একটি  নিখুঁত সিনেমা। এখন পর্যন্ত যতগুলো ছবি বানানো হয়েছে পৃথিবীতে তার কোনটির সাথে এই ছবিটির তুলনা করা যাবে না। বিশেষ করে ছবিটির  চিত্রনাট্য, চরিত্র, এবং যে দক্ষতা ব্যবহার করা হয়েছে তা সত্যি অতুলনিয়। আমার কাছে ছবিটির কাহিনী এক কথায় ব্রিলিয়ান্ট মনে হয়েছে। মূল বইকেও হার মানিয়েছে ছবিটি। সব ধরনের দর্শক ছবিটি উপভোগ করবে। যারা এই ছবিটি দেখেননি তাদের কে অনুরোধ করবো দেখার জন্য। না হলে ঠকবেন। এখন পর্যন্ত বানানো সেরা ছবিগুলোর একটি দি ফেলোশিপ অফ দি রিং। সেরা ছবির জন্য পাওয়া একাডেমি পুরস্কারটিও বলতে গেলে এই ছবির জন্য কম হয়ে যায়।  ছবিটি দেখার সময় সবার চোখই বিষ্বয়ে বড় হয়ে যাবে। যারা বই পড়তে ভালবাসেন কিন্তু সিনেমা দেখা পছন্দ করে না, সে ধরনের মানুষকেও ছবিটি আনন্দ দিবে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আসাধারন। IMDB-এর তালিকায় স্থান পাওয়া ছবিটি অসম্ভব জনপ্রিয়তা লাভ করে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

দ্য গুড, দ্য ব্যাড, এন্ড দ্য আগলি

good-bad-uglyব্লন্ডি (দ্য গুড) একজন দক্ষ বন্দুকবাজ।বাড়ি ছেড়েছে বাড়তি কিছু ডলার ইনকামের জন্য।এঞ্জেল আই (দ্য ব্যাড) যাকে টাকা দিয়ে সব কাজ করানো যায় এমনকি খুনও।টাকার বিনিময়ে খুন করাটা তার পেশা।টাকো (দ্য আগলি) একজন দাগী আসামী যে নিজেকে লুকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে।টাকো আর ব্লন্ডির মধ্যে পরিচয় হয় এবং তারা দুজন একসঙ্গে ডলার কামানোর উপায় খুঁজতে থাকে।তারা দুজন একসঙ্গে কাজ করলেও টাকো প্রথম থেকেই ব্লন্ডির ক্ষতির কথা ভাবতে থাকে।একদিন মরুভূমিতে তারা দুজন একটা ঘোড়ার গাড়ির মুখোমুখি হয় যেখানে অনেকগুলো মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা।একটি মাত্র লোক পায় তারা দুজন যে তখন পর্যন্ত বেচে ছিল। তার নাম বিল কার্সন।বিল কার্সন তাদেরকে বলে তারা একটি কবরখানায় নির্দিষ্ট কবরের নীচে অনেক সোনা লুকিয়ে রেখেছে।কিন্তু সে কথা শেষ করার আগেই তার মৃত্যু হয়।টাকো জানতে পারে কবরখানাটির নাম অন্যদিকে ব্লন্ডি জানতে পারে নির্দিষ্ট কবরটির নাম।এখন এই সোনা খুঁজে বের করতে হলে তাদের দুজনকেই বেঁচে থাকতে হবে এবং পরস্পরকে সাহায্য করতে হবে।এদিকে দীর্ঘদিন ধরে এঞ্জেল আই বিল কার্সনকেই খুঁজছিলো।সে এক সময় খুঁজতে খুঁজতে টাকো ও ব্লন্ডিকে পেয়ে যায় এবং জানতে পারে ওদের কাছেই সোনার ঠিকানা আছে।মুভিটি পরিচালনা করেছেন সের্গিও লিয়ন।