Rebranding

rebranding

As you all know, this website is all about book reviews. But name BdReviews is too generic. That’s why we have decided that we will re-brand this website as Bibliosmic. Soon we will redirect the visitors to www.bibliosmiac.com.

পরিণীতা

Parinitaশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (সেপ্টেম্বর ১৫, ১৮৭৬-জানুয়ারি ১৬, ১৯৩৮) জনপ্রিয়তম বাঙালি কথাসাহিত্যিক। পরিণীতা মূলত একটি নিরন্তর প্রেম কাহিনী। এক ১৩ বছর বয়সী মেয়ে ললিতা এবং ২৪ বছর বয়সী যুবক শেখর এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। শেখর ও ললিতা ছোটবেলা থেকে একসাথে বড় হয় এবং একসময় তারা প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পরে। কিন্তু শেখর ছিল এক আত্মম্ভরি,অহংবাদী, উচ্চাকাঙ্ক্ষী বাবার সন্তান। শেখরের বাবা এ সম্পর্ক গ্রহণ করেনা, অন্যদিকে গিরিনের আগমন ঘটে ললিতার জীবনে। শেখর আর ললিতার সম্পর্কের টানাপোড়ন শুরু হয়। ললিতা নিঃশর্তভাবে অপেক্ষা করে শেখরের কিন্তু শেখর তার পিতার মৃত্যুর পর ললিতা কে স্বীকার করতে পারে। মহান কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এ উপন্যাসটি রচিত হয়েছে বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে কলকাতার পটভূমিতে। উপন্যাসটির প্রতিটি চরিত্র, আবেগ খুব সুন্দরভাবে উঠে এসেছে।

গল্পগুচ্ছ

Golpo-gucchoরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭ই মে, ১৮৬১ – ৭ই আগস্ট, ১৯৪১) (২৫ বৈশাখ, ১২৬৮ – ২২ শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাঁর সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প”গল্পগুচ্ছ”  সংকলনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম যেমন বিশ্বসাহিত্যে উজ্জ্বল, তেমনই উজ্জ্বল তাঁর ছোটগল্পের সংকলন “গল্পগুচ্ছ” । বইটির প্রতিটি গল্প জীবনঘনিষ্ঠ, প্রতিটি চরিত্র যেন আমাদের চারপাশের চরিত্রগুলোর প্রতিচ্ছবি। ‘পরিণীতা’, ‘পোস্টমাস্টার’, ‘ছুটি’, ‘কাবুলিওয়ালা’, ‘ইচ্ছাপূরণ’, ‘এক রাত্রি’ গল্পগুলো যতবার পরি ততবার আবেগাপ্লুত হই। প্রতিটি চরিত্র, আবেগ অনুভুতি হৃদয় ছুঁয়ে যায়। বাংলা সাহিত্যের পাঠক রবীন্দ্রনাথের লেখার সাথে পরিচিত তবে অনেকেই আছেন যারা ছোট গল্পের প্রতি আকৃষ্ট নন। কিন্তু এ শ্রেণীর পাঠকরাও যদি রবীন্দ্রনাথের “গল্পগুচ্ছ” পড়েন, নিঃসন্দেহে আনন্দ পাবেন।

জয়জয়ন্তী

জয়জয়ন্তীমঞ্চনাটক মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময় বাংলাদেশের সবচেয়ে বিকশিত শিল্প মাধ্যমগুলোর মধ্যে অন্যতম। মুক্তিযুদ্ধ ফেরত একদল মঞ্চ অন্তপ্রাণ তরুণের শ্রম, মেধা  ও যত্নে তৈরি হয়েছে অসংখ্য অসাধারণ মঞ্চনাটক। মুক্তিযুদ্ধ সবসময়ই আমাদের মঞ্চনাটকের একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকে নব্বই দশক অবধি মঞ্চনাটকে যে বিষয়টি বার বার উঠে এসেছে তা হলো আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ। এ পর্যন্ত মঞ্চস্থ হওয়া মুক্তিযুদ্ধের নাটকগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’, ‘যুদ্ধ এবং যুদ্ধ’, ‘জয়জয়ন্তী’, ‘যে মরুতে’, ‘বিবিসাব’, ‘সময়ের প্রয়োজনে’, ‘কথা ’৭১’, ‘খারন্নি’ ও ‘বলদ’, ‘একাত্তরের পালা’, ‘মুখোশ’, ‘কিংশুক’ প্রভৃতি। তবে জয়জয়ন্তী নাটকটির কথা আলাদা ভাবে মনে পড়ছে।  ‘আরণ্যক’ প্রযোজিত বহুল আলোচিত এই নাটক মামুনুর রশীদের অন্য নাটকগুলোর থেকে একেবারেই ভিন্ন। পদাবলী কীর্তনের একটি পেশাদার দলকে কেন্দ্র করে নাটকটির কাহিনী এগিয়ে যায়। প্রথম মঞ্চায়নের দিন থেকেই নাটকটি দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছিল। মামুনুর রশীদের রচনা ও নির্দেশনায় ‘জয় জয়ন্তী’ নাটকটিতে ১৯৭১ সালে কীর্তনীয়া দলের জীবনযুদ্ধ, হিন্দুপাড়ার অবস্থা, যুদ্ধের সময় দেশত্যাগী মানুষের জীবনযুদ্ধ খুব সূক্ষ্মভাবে উঠে এসেছে নাটকটিতে।

নুরলদীনের সারাজীবন

নুরলদীনের সারাজীবন‘নুরলদীনের সারাজীবন’ নাটকটি ১৯৮১ সালের শেষ দিকে লেখা। রংপুর, দিনাজপুর অঞ্চলের সংগ্রামী মেহনতি মানুষের গল্প উঠে এসেছে এই নাটকে। সৈয়দ শামসুল হক ‘নুরলদীনের সারাজীবন’ নাটকে এ অঞ্চলের মানুষের সংগ্রামী জীবন গাঁথা তুলে এনেছেন রংপুরের বীর কৃষক নেতা নুরলদীন চরিত্রটির মাধ্যমে। ১৭৮৩ সালের রংপুর, দিনাজপুর অঞ্চলের সামন্তবাদ সাম্রাজ্যবাদবিরোধী কৃষক নেতা নুরলদীনের সংগ্রাম, সাহস আর ত্যাগ নিয়ে গড়ে উঠেছে সৈয়দ শামসুল হকের অবিস্মরণীয় নাটক ‘নুরলদীনের সারাজীবন’। আলী যাকেরের নির্দেশনায় এই নাটকের প্রথম প্রদর্শনী হয় ১৯৮২ সালের ২৭ ডিসেম্বর মহিলা সমিতি মঞ্চে। রংপুরের আঞ্চলিক ভাষায় রচিত ব্যতিক্রমী এই কাব্যনাটকটির মাধ্যমে প্রতীয়মান হয় যে, ১৭৮৩ বা ১৯৫২ বা ১৯৭১ সালের বাঙালি জাগরণ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বাংলা মঞ্চনাটকের ইতিহাস লেখা হলে ‘নুরলদীনের সারাজীবন’ তার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে থাকবে। আর জনপ্রিয়তার বিচারেও এ নাটকটি অনন্য। ‘নুরলদীনের সারাজীবন’ প্রমান করে সব জনপ্রিয়তা সস্তা হয় না। প্রমান করে ভাল নাটক মানুষ দেখবেই, ভাল কবিতা লোকে পড়বেই, ভাল সিনেমা মানুষ ভালবাসবেই। আমার মতে ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’, ‘নুরলদীনের সারাজীবন’ এবং এ রকম আরও কিছু কাব্য নাট্য আমাদের গোটা বাংলা সাহিত্যের স্থায়ী সম্পদ।

পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়

পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ বাংলাদেশের মঞ্চনাটকে প্রথম কাব্যনাটক। ১৯৭৫ সালের ১ মে থেকে শুরু করে ১৩ জুনের মধ্যে লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড শহরে বসে সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ঘটে যাওয়া বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে রচনা করেন তার প্রথম নাটক ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’। ১৯৭১ এ বাংলাদেশের শত্রুমুক্ত হওয়ার সময়কালে একটি প্রত্যন্ত গ্রামের একদিনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে নাটকটিতে। গ্রামটির এক চতুর মাতুববরের প্রভাবে সাধারণ মানুষগুলো মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান নেয়। কিন্তু ধীরে ধীরে তারা বুঝতে পারে মাতুববরের একজন সুবিধাভোগী, অসৎ এবং  দেশবিরোধী মানুষ। তাদের এই উপলব্ধি মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি  শ্রদ্ধাবোধ বাড়িয়ে দেয়। গ্রামের মানুষগুলো অনুভব করে সকল বাধা ভেঙ্গে একটা নতুন সূর্য, একটা নতুন দেশের পতাকা মুক্তিযোদ্ধারা ছিনিয়ে নিয়ে আসবেই। আর সবাই যেন সে নতুন ভোরের অপেক্ষায় থাকে। ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ মূলত মুক্তিযোদ্ধাদের আগমনের পদধ্বনি। আর আমাদের স্বাধীনতার ইতিকথা। আঞ্চলিক ভাষায় রচিত কাব্যিক সংলাপ এ নাটকের সবচেয়ে বড় সম্পদ। আবদুল্লাহ আল মামুনের নির্দেশনায় ‘থিয়েটার’ ১৯৭৬ সালে ২৫ নভেম্বর মহিলা সমিতি মিলনায়তনে নাটকটির প্রথম প্রদর্শনী করে। বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর যে শাখাটি অসাধারণ বিকাশ লাভ করেছে সেটি হল নাটক। এখানকার নাট্যকারেরা সবসময়ই পরিবর্তনের কথা, বিপ্লবের কথা বলেছেন। পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, নুরলদীনের সারাজীবন সেই ধারার নাটকের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

অস্তিত্বের অসহনীয় লঘুতা-মিলান কুন্ডেরা (অনুবাদ-মাহফুজ সিদ্দিকী হিমালয়)

অস্তিত্বের অসহনীয় লঘুতামিলান কুন্ডেরা রচিত বিখ্যাত উপন্যাস ‘The Unbearable Lightness Of Being’ অনুবাদ করেছেন মাহফুজ সিদ্দিকী হিমালয়। বইটিতে মানুষের আবেগ, অনুভূতি, মনস্তাত্বিক দ্বন্দ্ব লেখক অসাধারনভাবে ব্যক্ত করেছেন। মানুষের ভেতরের অস্তিত্তকে জানার বা প্রকাশ করার মত সাহস বা মনোবল অর্জন খুব একটা সহজ বিষয় নয়, এই চরম সত্যটি লেখক বইটিতে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তুলে ধরেছেন। বইটির সাতটি অধ্যায় যেন একেকটি মনস্তাত্বিক ধাপ।

এই উপন্যাসের চরিত্রগুলো কাল্পনিক হলেও পড়ার সময় মনে হয়েছে খুব পরিচিত। কেন্দ্রীয় চরিত্র টমাস একজন উচ্ছৃংখল প্রেমিক যে অনেক  নারীর সাথে প্রেমলীলায় মত্ত হতে পারে কিন্তু একচ্ছত্রভাবে কোন নারীর সাথে জড়িত হতে চায়না। এই টমাস কি করে ধীরে ধীরে একজন নারীর জন্য পরিবর্তিত হয়ে যায় তাই উঠে এসেছে উপন্যাসটিতে। Read more

এবসলিউট পাওয়ার-ডেভিড বালদাচ্চি (অনুবাদ – মোহাম্মদ নাযিম উদ্দিন)

Absolute Powerএবসলিউট পাওয়ার বইটিতে ডেভিড বালদাচ্চি অসাধারনভাবে বর্ণনা দিয়েছেন পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যাক্তির খুনে কিভাবে একজন সাধারণ চোরকে ফাঁসিয়ে দেয়া হয় আর সে কিভাবে একজন সাধারণ নাগরিক হয়েও নিজেকে  নির্দোষ প্রমাণিত করে। বাবা লুথারের প্রতি মেয়ে কেইট হুইটনির ঘৃণার অবসান,  জ্যাক এর বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব , এলান রিচমন্ড এর ক্ষমতার অপব্যাবহার , প্রধান চরিত্র লুথার হুইটনির দৃড়তা , গ্লোরিয়া রাসেল এর ষড়যন্ত্র সবকিছু মূল লেখক যতটা সুন্দর করে বইটিতে উপস্থাপন করেছেন, মোহাম্মদ নাযিম উদ্দিন তাঁর অনুবাদে ঠিক ততটাই আকর্ষণীয় করে তুলে ধরেছেন।  Read more

দি হ্যাপি প্রিন্স এন্ড আদার টেইল্‌স

দি হ্যাপি প্রিন্স এন্ড আদার টেইল্‌সঅস্কার ওয়াইল্ডের The Happy Prince and Other Tales বাংলায় অনুবাদ করেছেন নেয়ামত উল্লা ভূঁইয়া। প্রকাশ করেছে উৎস প্রকাশন। এটি মুলতঃ বাচ্চাদের জন্য লেখা ৫টি গল্পের সংকলন জা প্রকাশিত হয় ১৮৮৮ সালে। গল্পগুলো হচ্ছে “দ্য হ্যাপি প্রিন্স”, “দ্য নাইটিংগেল এন্ড দ্য রোজ”, “দ্য সেলফিস জায়ান্ট”, “দ্য ডেভটেড ফ্রেন্ড” এবং “দ্য রিমার্কেবল রকেট”। বইটি সম্পর্কে আপনার অনুভূতি জানাতে চাইলে নিচের Review with Facebook option-এর মাধ্যমে লিখতে পারেন। আর বিস্তারিত আলোচনা করতে চাইলে ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করে নিন এখনই।

ডোরিয়ান গ্রে-র প্রতিকৃতি

ডোরিয়ান গ্রে-র প্রতিকৃতিঅস্কার ওয়াইল্ডের The Picture of Dorian Gray উপন্যাসটি অনুবাদ করেছেন চুনিলাল মুখোপাধ্যায়। প্রকাশ করেছে সন্দেশ প্রকাশনী। মূল উপন্যাসটি ১৮৯০ সালের ২০ জুন  Lippincott’s Monthly Magazine-এ প্রথম প্রকাশিত হয়। মজার ব্যপার হচ্ছে ম্যাগাজিনটির সম্পাদক উপন্যাসটির কিছু কিছু অংশ প্রকাশের অনুপযুক্ত মনে করে বাদ দিয়ে ছিলেন। তাও আবার লেখকের অনুমতি না নিয়েই! বইটি সম্পর্কে আপনার অনুভূতি জানাতে চাইলে নিচের Review with Facebook option-এর মাধ্যমে লিখতে পারেন। আর বিস্তারিত আলোচনা করতে চাইলে ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করে নিন এখনই।