মুখের দিকে দেখি

সংক্ষেপে কিছু কথা

Mukher Dike Dekhiফলে মেরি জয়েস তার ডাইন হাতটা চানমিঞার কান্ধের উপরে যখন রাখে তখন চানমিঞার মনে হয় যে, দরজার কপাটের ফাঁক দিয়া আসা তেরছা আলোর মত, একটা আলোর স্তম্ভ তার শীর্ণ কান্ধের উপরে এসে পড়ে, এবং সে তার মুখটা এই আলোর দিকে ফেরায়, সামনে খাড়ায় থাকা মেরির মুখের দিকে দেখ.

ডলু নদীর হাওয়া ও অন্যান্য গল্প

Dalu Nadir Hawa O Anyanya Galpaএই সঙ্কলনে
সাতটি গল্প রয়েছে।
এগুলোর পটভূমি
কখন ঢাকা শহর
কখন বাংলাদেশের গ্রাম
এবং উপজীব্য
মানুষের স্বপ্ন ও স্বপ্নের বিনাশ অথবা
এই বিনাশের ভেতরেও
অবচেতনের আদিম গুহায়
একা কিংবা একসঙ্গে
স্বপ্নের জন্যই তাদের জেগে থাকা।
এই গল্পের বুননের ভিতরে হয়তো আছে
প্রেম কিংবা তার সন্ধান,
হয়তো ভালবাসা নয়- তার সন্ধানই
জীবন।
হয়তো আরো আছে ছায়া,
পীড়ন ও পতনের,
হয়তো ম্লান আনন্দের,
এবং আছে জীবনের পথ
একটুকরা/দুইটুকরা/পাঁচটুকরা লোকের;
অথবা হয়তো কিছু নাই, আছে
মাধুরী কিছু না থাকার

হু ইজ অ্যাফ্রেইড অফ ভারজিনিয়া উলফ?

who is afraid of verginia woolf‘হু ইজ অ্যাফ্রেইড অফ ভারজিনিয়া উলফ’ একটি অনবদ্য ক্ল্যাসিক যা একটি দুঃসহ রাতের চিত্র তুলে ধরে। যে রাতে মাঝ বয়েসি জর্জ আর মার্থা একে অপর কে কথা দিয়ে বিদ্ধ করতে থাকে। এলিজাবেথ টেইলর তাঁর অসাধারণ অভিনয় দিয়ে মার্থা চরিত্রটিকে জীবন্ত করে তুলেছেন। প্রমান করেছেন কেন তিনি অতুলনীয়। এই চরিত্রটির জন্য তিনি শুধু অস্কারই পান নি, চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনয় হিসেবেও মানুষের মনে ঠাই নিয়েছে মার্থা চরিত্রটি। চরিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে টেইলর কি অসাধারণ দক্ষতায় একই চরিত্রের মধ্যে কখনো বিষণ্ণতা, কখনো কোমলতা, আবার কখনো বা ক্ষিপ্রতা ফুটিয়ে তুলেছেন। মার্থা চরিত্রটি সত্যই ভয়ঙ্কর। অথচ টেইলর কি সাবলীল ভাবেই এই দানবের ভেতরই কখনো দয়া, কখনো উষ্ণতা আবার কখনো বা ভালোবাসার জন্ম দিয়েছেন! অন্যদিকে পরাজিত, জীবন যুদ্ধে ক্লান্ত জর্জ চরিত্রটির চিত্রায়ণে রিচার্ড বারটন সমান দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।

অনেক কারনেই এই চলচ্চিত্রটি আমার প্রিয়। অসাধারন অভিনয়, অনবদ্য চিত্রনাট্য আর অতুলনীয় নির্মাণশৈলী চলচ্চিত্রটিকে করে তুলেছে ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি চলচ্চিত্র। বলা হয়ে থাকে ‘হু ইজ অ্যাফ্রেইড অফ ভারজিনিয়া উলফ’ নিখুঁত চলচ্চিত্রের অন্যতম নিদর্শন। আমার মনে হয়েছে লিজ টেইলর ও রিচার্ড তাঁদের জীবনের শ্রেষ্ঠ অভিনয়টি এই ছবিটিতে করেছেন। স্যন্ডি ডেনিসও ছিলেন অসাধারন।

ছবিটি খুবই নাটকীয় তাতে সন্দেহ নেই। আর হাস্যরসের পরিমিত কিন্তু যথাযত ব্যবহার ছবিটিতে এনেছে ভিন্ন মাত্রা। ছবিটি দেখতে গিয়ে মাঝে মাঝেই আপন মনে হেসে উঠেছি। কিন্তু পরক্ষনেই মনে হয়েছে এই দৃশ্যে হাসা ঠিক? আবার এ কথাও সত্যি ছবিটিতে এমন অনেক দৃশ্য আছে যা আপনাকে অস্বস্তিতে ফেলে দেবে। এই অস্বস্তি বাস্তবতাকে গ্রহণ করতে না পারার অস্বস্তি! এই ছবিটি প্রমান করেছে খুব কম রিসোর্স ব্যবহার করেও কত ভাল ছবি নির্মান করা যায়। ৪টি মাত্র চরিত্র আর তুলনামূলক ভাবে খুবই কম দৃশ্যপট পরিবর্তনের মাধ্যমে পুরো কাহিনিটি তুলে ধরা হয়েছে। ‘হু ইজ অ্যাফ্রেইড অফ ভারজিনিয়া উলফ’ ক্লাসিক আমেরিকান চলচ্চিত্রের প্রতিনিধিত্ব করবে আজীবন।

ইপ ম্যান

ip-man

ডনি ইয়েন আমার খুব প্রিয় একজন অভিনেতা। তবে তা যতটা না তার অভিনয় গুণের জন্য তার চেয়ে বেশি মার্শাল আর্টে তাঁর দক্ষতার জন্য। ইপ ম্যান ছবিতে তাঁর অভিনয়ও আমার কিছুটা হলেও ভাল লেগেছে। কাহিনীর দীর্ঘ বর্ণনায় যেতে চাচ্ছি না। তবে একটা কথা না বললেই নয়, ঐতিহাসিক যেসব ঘটনা ছবিটিতে তুলে ধরা হয়েছে তার বেশ কয়েকটির শুদ্ধতা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। যদিও আমি Wing Chun practitioner না। তবে ডনির জেন সন্ন্যাসী টাইপ উপস্থিতি ভালই লেগেছে। বিশেষ করে খুবই কম মুভ ব্যবহার করে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার ধারনাটি চমৎকার লেগেছে।

খুবই গতিশীল একটি চিত্রনাট্য। তবে একথা সত্য ৮০ বা ৯০ দশকে ডনি ইয়েনের ছবিতে যে নান্দনিকতা পাওয়া যেত এই ছবিতে তা প্রায় অনুপস্থিত। ছবিটি পরিচালনা করেছেন উইলসন উইপ। এর কাহিনী রচনা করেছেন  এডমন্ড উং। ১০৬ মিনিটের চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন ডনি ইয়েন, সাইমন ইয়াম, সিউ উং ফ্যান প্রমুখ।

দ্য টারমিনেটর

The-Terminator-1984দর্শকের মনে খুব কম চলচ্চিত্রই টারমিনেটরের মত  এতো ভয় ধরাতে পেরেছে। শুধু ভয়? আমার মনে হয় না। ভয় ছাড়া ভয়ঙ্কর অস্বস্তিকর কিছু অনুভূতি তৈরি হয় তুলনামূলক কম বাজেটে তৈরি এ ছবিটি দেখার সময়। অন্য জগত বা অন্য সময়ের প্রাণী, মানুষ বা অমানুষ নিয়ে অনেক ছবিই তৈরি হয়েছে, কিন্তু সেগুলোকে যদি বলি ভয়ের ছবি, তবে টারমিনেটরকে বলা যায় রক্তহীম করা ছবি। মানুষের তৈরি মেশিন-মানব কি একদিন পৃথিবী দখল করে নেবে? যদি তাই হয়? সে দিন কি খুব বেশি দূরে? এমন অনেক প্রশ্ন যারাই ছবিটি দেখেছেন তাদের মনে এসেছে। আর ভয়ের একটা শীতল অনুভূতি মেরুদণ্ড কাঁপিয়ে দিয়ে গেছে!

ছবিটিতে আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগার টারমিনেটর নামে একজন সাইবর্গের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সাইবর্গ (cyborg) হচ্ছে অর্ধেক মানুষ, আর অর্ধেক মেশিন। তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে এক সন্তান সম্ভবা নারীকে হত্যা করার জন্য যার অনাগত সন্তান ভবিষ্যতে মানুষ ও মেশিনের মধ্যে সংগঠিত যুদ্ধে মানব জাতিকে নেতৃত্ব দেবে। ‘ক্বণনর’ নামের সেই অনাগত সন্তানকে যদি হত্যা করে যায় তবে ভবিষ্যতে মানব জাতিকে নেতৃত্ব দেবার আর কেউ থাকবে না। প্রতিষ্ঠিত হবে মেশিনের শাসন, মানুষ হবে দাস অথবা তাদের করা হবে নিচিহ্ন। ‘ক্বণনর’ তাই তার হবু মাকে রক্ষা করার জন্য একজন রক্ষাকর্তা প্রেরণ করে। ‘কাইল রিজ’ ক্বণনরের মা সারাকে জানায় এক অপ্রতিরোধ্য মেশিন মানব যেকোন মূল্যে তাকে হত্যা করতে চায়।

সত্যিই তাই হয়। টারমিনেটর তাদের হত্যা করার জন্য হন্যে হয়ে খুঁজতে থাকে। তার মধ্যে একটা বিখ্যাত দৃশ্য হল যখন পুলিশস্টেশানে টারমিনেটর বলে “I’ll be back”! সত্যিই সে ফিরে আসে। গাড়ির ছাদে সে যখন আক্রমণ করে সে দৃশ্যটা ভয়ংকর। আবার কাইলের “Come with me if you want to live” ছবিটির আরেকটি ক্লাসিক সংলাপ। এরকম অসংখ্য দুর্দান্ত দৃশ্যের জন্ম দিয়েছে এই ছবিটি। ছবিতে ব্যবহৃত ইফেক্টগুলো সেই ৮০ দশকের। তারপরও আমি বলব আজকের ছবিতে যে CGI crud পাই তার চাইতে অনেক ভাল টারমিনেটরে ব্যবহার করা স্পেশাল ইফেক্ট। কি নেই এই ছবিতে? একশন, রোমান্স, ভয়, ফিকশান এমন কি ডার্ক হিউমারও আপনি এ ছবিতে পাবেন।

টারমিনেটর হয়তো একটি ‘নিখুঁত’ চলচ্চিত্র বলা যাবে না। কিন্তু উপভোগ্য বলতে আপত্তি নেই। অন্তত আমার নেই।

Director: James Cameron
Writers: James Cameron, Gale Anne Hurd
Stars: Arnold Schwarzenegger, Linda Hamilton, Michael Biehn

দ্য প্রিন্সেস ব্রাইড

 

The-Princess-Brideবার বার দেখার মত একটি চলচ্চিত্র  ‘দ্য প্রিন্সেস ব্রাইড’। আর মজার ব্যাপার হচ্ছে যতবার দেখবেন নতুন কিছু না কিছু আবিষ্কার করবেন। নতুন করে প্রেমে পড়বেন উইলিয়াম গড এর কাহিনী অবলম্বনে তৈরি এই ছবিটির। তবে ছবিটির ঠিক কোন দিকটি একে অসাধারণ করে তুলেছে তা বলা খুবই মুশকিল। কারণ চিত্রনাট্য থেকে শুরু করে চরিত্র নির্মাণ সব দিক থেকেই ছবিটি অনন্য। ছবিটির নাম দেখে অনেকেই ভাবতে পারেন আর দশটা একশন/ এডভেঞ্চার ছবির মতোই একটি ছবি। তবে আমি হলফ করে বলতে পারি যেকোন ডাই-হার্ড “Die-Hard” ফ্যানও ছবিটি দেখে আনন্দ পাবেন।

চলচ্চিত্রটির নাম দেখে যদি মনে করেন রোমান্টিকতায় ভরা এক কোমল ছবি, মহা ভুল করবেন। অসংখ্য এডভেঞ্চার আর স্নায়ুক্ষয়ী দৃশ্যের জন্ম দিয়েছে ‘দ্য প্রিন্সেস ব্রাইড’। আবার কিছুটা রোম্যান্টিক কমেডি ছবিও বলতে পারেন একে। চলচ্চিত্রটির কভার দেখে যদিও সস্তা প্রেমের উপন্যাস বলে ভুল হতে পারে, কিন্তু এটি পুরদস্তুর উত্তেজনায় ভরপুর একটি সার্থক চলচ্চিত্র। আর আমার তো মনে হয়েছে এই প্রেম প্রেম আবহটা কিছুটা ইচ্ছে করেই তৈরি করা হয়েছে।

ওয়েস্টলে চরিত্রটিতে Cary Elwes অসাধারণ অভিনয় করেছেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি  ‘দ্য প্রিন্সেস ব্রাইড’ এর পর Cary Elwes যেসব ছবিতে অভিনয় করেছেন তার চরিত্রগুলো ঠিক মানায় নি। বিশেষ করে Liar Liar আর Twister এর কথা বলা যায়। অন্যদিকে Princess Buttercup চরিত্রে Robin Wright ছিলেন দুর্দান্ত। ছবিটির অন্যতম বিশেষ দিক হলো মূল কাহিনীর গতিশীলতাকে অক্ষুণ্ণ রেখে comic relief এর অসাধারণ ব্যাবহার। Vizzini নামের কমিক ভিলেন চরিত্রে Wallace Shawn এর অভিনয় ভালই লেগেছে।

সব মিলিয়ে চমৎকার একটি ছবি। গল্প পড়ার ছলে একটি পুরো চলচ্চিত্রকে দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। রোমান্স, ফ্যান্টাসি, অ্যাকশান আর হাস্যরসের এমন চমৎকার সমন্বয় খুব কম ছবিতেই পাওয়া যাবে।

Director: Rob Reiner
Writers: William Goldman (book), William Goldman (screenplay)
Stars: Cary Elwes, Mandy Patinkin, Robin Wright

দ্য নাইট অব দ্য হান্টারঃ

the night of the hunterখুবই  অদ্ভুত একটি কাহিনী নিয়ে তৈরি হয়েছে “দ্য নাইট অব দ্য হান্টার” ছবিটি। বেন হারপার নামে একলোক ব্যাংক ডাকাতি করে ১০০০০ ডলার পান। কিন্তু ডাকাতির সময় ২ জন লোক খুন হয়ে যায়। খুনি হিসেবে ধরা পরে বেন। তবে ধরা পরার আগেই বেন তার কিশোর পুত্র আর ছোট্ট মেয়েকে বলে যায় কোথায় সে লুটের টাকা লুকিয়েছে। বেন তার সন্তানদের এই টাকার কথা কাউকে বলতে নিষেধ করে দেয়। এমন কি বেন তার নিজের স্ত্রীর কাছেও টাকার অবস্থান গোপন রাখে।

জেন এর বিচার শুরু হয়। রায়ে ফাঁসি হয় তার। জেনকে প্রাথমিক ভাবে রাষ্ট্রীয় সংশোধনাগারে রাখা হয় যেখানে তার সাথে হ্যারি নামে এক বন্দীর পরিচয় হয়। ভালো মানুষের বেশ ধরা হ্যারি বাস্তবে ছিল অসহায় নারীদের অবস্থার সুযোগ নেয়া এক ভয়ঙ্কর খুনি। এরপর শুরু হয় লুকানো টাকা খুঁজে বের করার হ্যারির প্রাণান্তকর চেষ্টা।

ভালই লেগেছে ছবিটি। তবে মনে রাখতে হবে ছবিটি নির্মিত হয়েছে ১৯৫৫ সালে। তাই আধুনিক ক্রাইম ছবির স্বাদ খুঁজলে ভুল হবে।

দ্য বিগ স্লিপ

The-Big-Sleepমৃত্যু পথযাত্রী জেনারেল স্টার্নউডের ডাকে সাড়া দিয়ে ফিলিপ মার্লো তাঁর পারিবারিক কিছু সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসেন। কিন্তু ফিলিপ যতটা সহজ ভেবেছিল বাস্তবে কাজটা তার চাইতে অনেক বেশি জটিল হয়ে দাঁড়ালো। এখান থেকেই ছবিটির কাহিনী শুরু হয়েছে। পুরনো হলেও “প্রাইভেট আই” চলচ্চিত্রের মধ্যে দ্য বিগ স্লিপ আমার খুবই পছন্দের একটি চলচ্চিত্র।

Raymond Chandler এর যে উপন্যাসের উপর ভিত্তি করে ছবিটা তৈরি হয়েছে তা আমার পড়া হয় নি। কিন্তু যারা পরেছেন তাদের অনেকের মতেই বিগ স্লিপ বলতে মৃত্যু বোঝানো হয়েছে। কিন্তু ছবি দেখে তেমন কিছু মনে হয় নি। এই ছবিটির যে দিকটি আমার খুবই দুর্দান্ত মনে হয়েছে তা হল ছবির সংলাপ। আর যেহেতু Chandler এর কাহিনী অবলম্বনে Faulkner চিত্রনাট্যে ছবিটি তৈরি হয়েছে তাই সংলাপ অসাধারণ হবে এটাই স্বাভাবিক।

এই ছবির আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো violence এর ব্যবহার। সাধারণত Hayes code censor এর কারনে United States motion pictures এর ছবিগুলোতে violence এর ব্যবহারে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। এই ছবি কিছুটা ব্যতিক্রম। আমার মনে হয়েছে ছবিটি খুব বেশি unpredictable যা সাসপেন্স তৈরিতে বাঁধা দেয়। তবে একথা নিঃসন্দেহে বলা যায় ছবির শেষটা অসাধারণ যাকে এক কথায় বলা যায় nailbiting!

প্রায় সবার অভিনয়ই ভালো লেগেছে। মার্লো চরিত্রে Humphrey Bogart ছিলেন দুর্দান্ত। অন্যদিকে Bacall তাঁর দ্যুতি ছড়িয়েছেন Vivian চরিত্রে। Martha Vickers ভালোই করেছেন। Carmen Sternwood চরিত্রটিতে তাকে ভালোই মানিয়েছে। সবশেষে বলা যায় উপভোগ্য একটি ছবি।

Director: Howard Hawks
Writers: William Faulkner (screenplay), Leigh Brackett (screenplay)
Stars: Humphrey Bogart, Lauren Bacall, John Ridgely

গান্ধীঃ

ghandhi movieভারতের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অহিংস কর্মী আইনবিদ মহাত্মা গান্ধীর জীবনকাহিনী নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘গান্ধী’ নামের চলচিত্রটি। ১৯৮৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পায় এটি। জন ব্রিলির কাহিনী অবলম্বনে পরিচালনা করেছেন রিচারড অ্যাটেনবরফ। ১৯১ মিনিটের এই সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন বেন কিংসলে, জন গিল্গাড, ক্যান্দিস বারগেন প্রমুখ।

গ্র্যাভেটিঃ

gravity movieএকজন মেডিক্যাল অফিসার এবং একজন নভোচারীর এক দুর্যোগপূর্ণ পরিবেশে টিকে থাকার সংগ্রামকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে ‘গ্র্যাভেটি’ সিনেমাটি। ২০১৩ সালের ৪ অক্টোবর মুক্তি পায় এই চলচিত্রটি। অ্যালফন্স কউরন এর রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত হয়েছে এটি। এতে অভিনয় করেছেন স্যান্ড্রা বুলক, জর্জ ক্লুনি, এড  হ্যারিস প্রমুখ।