সি উলফ

Sea Wolfজ্যাক লন্ডন সি উলফের মত কোন উপন্যাস লিখতে পারে আমার কল্পনায়ও ছিল না।লন্ডন সাথে আমার পরিচয় পশুপাখি মাধ্যে।তাই সি উলফ বইটি পড়ে খুবই অবাক হয়েছিলাম।বইটি থেকে মনোবিজ্ঞানীদের অনেক কিছু শিখার আছে।হিউম্যান সাইকোলজির অসাধারন কিছু দিক জ্যাক লন্ডন তার  সি উলফ উপন্যাসর মাধ্যমে পাঠকদের কাছ তুলে ধরেছেন।পুরো কাহিনীটি  হামফ্রে ভ্যান উইডেন নামক একজন লেখক-সমালোচক যুবককে নিয়ে।বাড়ি ফিরছিল সে মার্টিনেজ নামের একটি ফেরি স্টিমারে করে।কুয়াশার কারনে ফেরিটি দুর্ঘটনায় পরে এবং ডুবে যায়।সীলমাছ শিকারী স্কুনার গোস্টের নাবিকরা হামফ্রেকে উদ্ধার করে।এবং শুরু হয় তার নতুন জীবন।পরিচয় হয়  কুখ্যাত “দা গোস্ট” নামক সীলশিকারী জাহাজের ক্যাপ্টেনের সাথে।তাকে বাধ্য করা হয় কেবিন-বয়ের চকরি নিতে।

ক্যাপ্টেন উল্ফ লারসেন অদ্ভুত একটি চরিত্র।তার বুদ্ধিমত্তা যেমন,তেমনি ভয়ংকর তাঁর নৃশংসতা এবং অত্যাচার।আবার তার কেবিনে পাওয়া যায় শেক্সপিয়ার,টেনিসনের মত বিখ্যাত লেখকদের বই।একটির সাথে আর একটি মিলে না।কেবিন-বয়ের কাজ করতে গিয়ে তৈরি হয় তার শত্রুতা বার্বুচির সাথে।জাহাজে ভাল কিছু বন্ধুও পায় হামফ্রে।হামফ্রে রুপান্তরিত হয় সম্পূর্ন অন্য মানুষে।পদন্নতি হয় তার জাহাজর মেট হিসাবে।সে বুঝতে পারে গোস্ট শুধু সীল শিকার করে না চোরাচালানিও করে।ঝড়ের কবলে পরা,গোস্টের সীল শিকারের নৌকা খুঁজতে গিয়ে পাঁচ জনের একটি দলকে উদ্ধার করে উল্ফ লারসেন।তাদের মধ্যে একজন অপরুপ সুন্দরী নারী।এবং হামফ্রে ভ্যান উইডেনর জীবনে আসে প্রেম।কিভাবে হামফ্রে মুক্তি পেয়েছিল লারসেনের হাত থেকে তা জানতে পড়তে হবে জ্যাক লন্ডনর সি উলফ গল্পটি।নিয়াজ মোরশেদর অনুবাদের কারনে বইটি আরো আর্কষনিয় হয়েছে।ধন্যবাদ সেবা প্রকাশনীকে।

Write a Review with Facebook