শী

Sheহেনরি রাইডার হ্যাগার্ড বিশ্ব সাহিত্যের উজ্বল একটি নক্ষত্র।লেখক তার কল্পনার জাদু দিয়ে যে উপন্যাসগুলো লিখেছেন,তারমধ্যে সি অন্যতম।হ্যাগার্ডকে আমার মনে হয়েছে এডভেঞ্চার প্রিয় একজন লেখক।তার প্রায় সব লেখাতেই আজানাকে জানার প্রচন্ড আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে।এবং পাঠকদেরকে হ্যাগার্ড নিয়ে গেছেন আজানা আচেনা অনেক দেশে।শী বইটি দিয়ে হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড সাথে পরিচয়।তখন থেকে হ্যাগার্ড আমার প্রিয় লেখকদের একজন।বইটি অনুবাদ করেছেন সেবা প্রকাশনী,নিয়াজ মোরশেদের মাধ্যমে।অপূর্ব তার অনুবাদ ক্ষমতা।বইটির শুরু হয়েছে সরল একটি  স্বিকারক্তি দিয়ে।লেখক বলছেন গল্পটি নিজের লেখা নয়।আর একজনের লেখা সত্য কাহিনী লেখক সম্পাদনা করেছেন।কাহিনীটি সত্য নাকি মিথ্যা,পাঠকদেরই ঠিক করতে হবে।হঠাৎ করে একটি পান্ডুলিপি হাতে আসে লেখকের কাছে,এল হোরেস হলি নামক এক ব্যাক্তির কাছ থেকে।যার সাথে মাত্র কয়েক মিনিটের পরিচয়।

হোরেস হলিকে বন্ধু ভেনসির একমাত্র সন্তান লিওর দায়িত্ব নেওয়ার মাধ্যমে এই গল্পের শুরু।ভেনসির তাকে কিছু রহস্যময় কথা বলে এবং অনুরোধ করে তার ছেলের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য। হলি কথা দেয় তার অবর্তমানে লিওর অভিভাক হবে সে।ভেনসি কিছু শর্ত দেয় তাকে এবং অক্ষরে অক্ষরে তা পালন করতে বলে।চাবিসহ লোহার একটি সিন্দুকও দেয় যা শুধু লিওর পচিশ বছর পূর্ন করলে খুলতে পারবে।সিন্দুকর ভিতরে রাখা কাগজগুলো পড়ে লিও যা ইচ্ছে হয় করতে পারবে।লিওকে বাবার আদরে বড় করতে লাগলো হলি।শুধু পড়া-লেখায় নয়,সবকিছুতে পারদর্শি করে মানুষ করতে লগলো।লিওকে দেখে সবাই গ্রিক দেবতা ভাবতো।অবশেষে লিও পূর্ন করলো তার পচিশ বছর।খোলা হল সেই রহস্যময় সিন্দুক।জানা হলো অজানা এক রহস্য।এবং লিওর নেত্রিত্বে শুরু হল তাদের অভিযান।অনেক কষ্ট সয্য করে পৌছাল সেই অজানা দেশে।এবং বন্দি হল ভয়ন্কর  আমাহ্যাগার আদিবাসির হাতে।তারা নিয়ে চললো অজানা এক দেশে।যে দেশ শাষন করে আয়শা নামর এক রহস্যময় নারী।দুহাজর বছর অপেক্ষা করে আছে সে তার প্রমিকার জন্য।অসুস্থ লিওকে দেখা মাত্র আয়শা চিৎকার করে উঠল “ক্যালিত্রুেটিস,ও আমার ক্যালিত্রুেটিস”।     তারপরের কাহিনী জানতে হলে পড়তে হবে হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড বিশ্ব বিখ্যাত এই বইটি।

Write a Review with Facebook