বয়হুড

Boyhoodবয়হুড সিনেমাটি আমি নিঃশ্বাস বন্ধ করে এক টানে দেখে গিয়েছি। কেন সিনেমাটি আমাকে এতটা মুগ্ধ করেছে তা আসলে এভাবে লিখে বোঝানো বেশ কঠিন। গভীর মানবিকতা বোধই হয়ত এর অনন্য হয়ে ওঠার কারণ। প্রতিটি দৃশ্য বাস্তবের মত মনে হয়েছে। মূল চরিত্র গুলোর সাথে সাথে প্বার্শ চরিত্র গুলোর অভিনয় দক্ষতাও ছিল দেখার মত। মনে হয়েছে প্রতিটি  ডায়ালগ তারা  মন থেকে বলছিল। সিনেমাটি দেখার পর আমেরিকানদের প্রতি একটা আলাদা ভালোলাগা তৈরী হয়েছে। হ্যাঁ আমরা জাতিগত ভাবে এক একজন একএক রকম । কিন্তু আমাদের ছোটবেলা, আমাাদের বেেড়ে ওঠা সবই প্রায় একই রকম। কৈশোরে আমরা সবাই যেন ভীষণ দিশাহীন হয়ে পরি। একাকিত্ব,অবহেলিত মনে হয় নিজেকে এই সময়টায়। ঠিক এই ব্যাপারগুলোই চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে  বয়হুড সিনেমাটিতে। ছবটির নামের মাঝেই লুকিয়ে রয়েছে এর বিষয়বস্তু। বয়হুড হলো এমন একটি সময়, না-শৈশব না তারুণ্য। ঠিক যেন এ দুটোর মাঝাামাঝি সসময়টা। যা কিনা বর্ণনাতীত। ছবিটি দেখার সময় দর্শক ফিরে পাবে তাদের ফেলে আসা কৈশোর। বয়হুড সিনেমাটির শেষ দৃশ্যটি ছিল আমার দেখা অন্যতম শেষ দৃশ্য গুলোর একটি । আমার মনে হয়না কখনো এই ছবিটি এডিটিং এর প্রয়োজন হবে। নিজস্ব বৈশিষ্ট্যে অনন্য এই ছবিটি। সিনেমা প্রেমিকরা তো বটেই আমি বলব সবারই এই সিনেমাটি অবশ্যই দেখা উচিৎ। এবছরের মাঝামাঝি সময়ে সিনেমাটি মুক্তি পায়। রিচার্ড লিংকলেটার পরিচালক এবং চিত্রনাট্য দুটিতেই কিস্তিমাত করেছেন।

Write a Review with Facebook