ট্রেজার আইল্যান্ড

Treasure Islandগুপ্তধন নিয়ে সবার আগ্রহ আছে এবং এখনও পৃথিবীতে গুপ্তধন খোঁজা হয়। রবার্ট লুই স্টিভেন্সন ট্রেজার আইল্যান্ড উপন্যাসটি লিখেছেন জলদস্যূ গুপ্তধন নিয়ে । বইটি পৃথিবীর সেরা কিশোর উপন্যাসগুলোর একটি। বিভিন্ন ভাষায় উপন্যাসটি অনুবাদ হয়েছে। ট্রেজার আইল্যান্ড উপন্যাসটি জন্য রবার্ট লুই স্টিভেন্সন বিখ্যাত হয়ে যান। জিম হকিন্স গল্পের মূল চরিত্রগুলোর একটি। এক নাবিকে দিয়ে গল্পের শুরু। বিশাল এক সিন্দুক নিয়ে সে হাজির হয় হকিন্সদের সরাইখানায় এবং থাকতে শুরু করে। তার আচার আচরন ছিল খুবই রহস্যময়।যে নিজেকে ক্যাপ্টেন বলে পরিচয় দিত। লোকটি হঠাৎ মারা গেলে তার সিন্দুক থেকে হাতে আঁকা একটি মানচিত্র পাওয়া যায়। যেখানে বলা হয়েছে গুপ্তধনের কথা।

তারপর শুরু হয় মূল কাহিনী। রবার্ট লুই স্টিভেন্সন চমৎকার ভাবে বর্ননা দেন দুঃসাহসিক অভিযানের।জিম,ডাক্তার লিভজি,মিঃ ট্রলনি আর রেডরুথ এবং আরো কয়েক জন হিসপানিওলা নামক একটি জাহাজে করে সমুদ্রযাত্রা শুরু করে, গুপ্তধনের খোঁজে। তাদের সাথ বাবুর্চির কাজে যোগ দেয় এক পা নেই লং জন সিলভার। তার আসল পরিচয় তখনও কেউ জানে না। তার একটি পোষা টিয়ে পাখি ছিল। পাখিটিকে সে ক্যাপ্টেন ফ্লিন্ট বলে ডাকতো।ঘটনাচক্রে আপেলের পিপের ভেতর বসে জিম শুনে ফেলে জন সিলভারের চক্রান্তর কথা। জন সিলভার আসলে জলদস্যূ ক্যাপ্টেন ফ্লিন্টের সহযোগি ছিল। জিমে কাধে এসে পরে বিশাল এক দায়িত্ব।নিজে বাচঁতে হবে এবং বাচাঁতে হবে অনেককে। জিম কি পেরেছিল বাচাঁতে? গুপ্তধন পাওয়ার পর কি হয়েছিল? জানতে হলে পড়তে হবে ট্রেজার আইল্যান্ড উপন্যাসটি। রবার্ট লুই স্টিভেন্সনের আরো কিছু বিখ্যাত উপন্যাস আছে। এগুলোর মধ্যে কিডন্যাপড, দ্য স্ট্রেঞ্জ কেস অব ডক্টর জেকিল অ্যান্ড মিস্টার হাইড অন্যতম।

 

Write a Review with Facebook