এলিট স্কোয়াড

Elite-Squad২০০৭ সালে রিলিজ হয় মুভিটি। মুভিটি দেখার সময় চোখের পলক এক মুহুর্তের জন্যও অন্য দিকে ফেড়াতে পারিনি।  ব্রাজিলিয়ান পরিচালক জোসে পাদিল্হা তার দ্বিতীয় ছবিতেই বাজিমাত করেছেন। দারুন ব্যবসা সফল ছবি হিসাবে নাম কুড়িয়ে নেয় মুভিটি। এলিট স্কোয়াডের তুমুল জনপ্রিয়তার কারনে ২০১০ সালে তৈরী করা হয় সিক্যুয়েল এলিট স্কোয়াড ২ : দ্য এনেমি উইথইং ছবিটি। ব্রাজিলিয়ানরা শুধু যে ফুটবলে পারদর্শি নয় এই ছবিটিই তার প্রমান। আমার দেখা এ্যাকশন মুভিগুলোর মধ্যে অন্যতম এলিট স্কোয়াড এই মুভিটি। আমার কাছে কেউ যদি জানতে চায় কোন কোন এ্যাকশন মুভিগুলো দেখবো, তাহলে আমি অবশ্যই এলিট স্কোয়াড মুভিটি দেখতে বলবো। এটি একটি রিয়েল লাইফ এ্যাকশন মুভি। মুভির কাহিনী শুরু হয় পোপকে দিয়ে। রিও তে আসবেন তিনি। কিন্তু তখন রিওর আসে-পাশের অবস্থা তেমন ভাল ছিল না। মানে পোপর জীবনের নিরাপর্তা নিয়ে ভাবার যথেষ্ট কারন ছিল। পুলিশ বাহিনী(BOPE) থেকে ক্যাপ্টন নাসিমেন্তোকে দায়িত্ব দেয়া হয় সবকিছু ঠিকঠাক রাখার জন্য। মূল এ্যাকশন দৃশ্য শুরু হয় এখান থেকে। রিও নামের জায়গাটি হলো ড্রাগ ডিলারদের নিরাপদ আড্ডার স্থান। ক্যাপ্টন নাসিমেন্তো শুরু করে তার কাজ। যারা এখনও দেখেন নি, দেরি না করে তাড়াতাড়ি দেখে নিন অসাধারণ মুভিটি। 

Write a Review with Facebook