অন্তর্যাত্রা

Ontorjatraঅন্তর্যাত্রা ছবিটি তারেক মাসুদের অসাধারণ একটি সৃষ্টি। তার এই ছবিটি জীবনকে নতুনভাবে উপলব্ধি করতে শিখায়। বিদেশ ফেরত মা ছেলে কিভাবে দেশ ও চিরচেনা পরিবেশকে আবারো নতুন ভাবে আবিষ্কার করে।ছোটবেলা থেকেই লন্ডন শহরে বড় হয় ছবিটির মূল চরিত্র সোহেল। বাবার সাথে ছাড়া ছাড়ির পর সে ও তার মা শিরিন ওখানে চলে যায়। তারা সেখানকার নাগরিকত্বও লাভ করে। একদিন সোহেলের বাবার মৃত্যুুুু খবর পায় তারা । পিতার মৃত্যুতে দেশে ফিরে আসতে হয় তাদের। জ্ঞান হবার পর প্রথম বারের মত নিজের দেশ বাংলাদেশে ফিরে আসে সোহল। দেশে এসে সে পরিচিত হয় বাবার দ্বিতীয় স্ত্রী সালমা এবং তাদের মেয়ে রিনির সাথে। দুই ভাই-বোন সহজে মিশে যায়। মাকে নিয়ে সিলেটে বাবার কুলখানিতে হাজির হয়। সেখানে সোহেল পরিচিত হয় দাদা , ফুপু , ফুপা আর মৃত বাবার সাথে। জীবনে প্রথমবারের মত সে সেদিন তার বাবাকে অনুভব করে। যদিও কিনা তার বাবা মৃত। সে বুঝতে পারে কেবল দূরে থাকার কারণে সে কখনোই চিনলো না জানলোনা তার নিজের পিতাকে। সে তার মায়ের চোখেও একই অনুতপ্ততা বোধ দেখতে পায়। মাতৃভুমি তার জন্য সম্পূর্ণ অপরিচিত হলেও সে এই দেশ ও তার পরিবারের সাথে নারির টান অনুভব করে। বুঝতে পারে যে তাকে বারবার ফিরে আসতেই হবে তার জন্মভূমির কাছে। অপর দিকে পনের বছর পর দেশে ফিরে আসা শিরিিড়নেড় কাছে সব কিছুই ভীষণ নূতন মনে হয়। সবকিছুই তার কাছে অপরিচিত লাগে। তারেক মাসুদের অসাধারণ নির্মাণ শৈলী ছবিটিকে আরো রাঙিয়ে তুলেছে। সিনেমাটোগ্রাফির কারণে ছবিটিতে বাংলাদেশের অতুলনীয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কিছুটা ছোঁয়া পাওয়া যায় ।  । উন্নত মানের ক্যামেরার ব্যবহার দেখা গেছে ছবিটিতে। অসাধারণ এই ছবিটি না দেখে থাকলে জেনে নিন নিজ দেশের অসাধারন একটি ছবি মিস করেছেন আপনি।

Write a Review with Facebook